
যুবক অনার্য :
বুকের মধ্যে চিঁহিঁ ডাকে – কোমলগান্ধার বনপার্বনে ভাঙা রোদ্দুর
বিছানো কারাগার
মানুষ নিজেকেই বেশি ভালোবাসে
কে এক কবিগণ আমি কবিতায়
নাম নেই নি বোলে ব্লক মেরে দিলো
আত্মসমালোচনা নেবার ক্ষমতা
উহাদের তবে নেই
পূরবী তুমি এলে পৌষালী ঘোরে
এদিকটা ঘুরে যেয়ো টাপটুপ ক’রে
এলে বর্ষা মাখা মাঠে
আমাকে না হোক
কোনো এক রিনিক ঝিনিক যুবকের
হাত ধরে এসো
ঐকান্তিক এ আহ্বান জেনে রেখো
লৌকিক নয়
আমার ভাগ্য রেখা ইঙ্গিত করে-
যাকে নিয়ে আমি
গোটা একটি ইংরেজি বই লিখি
কিংবা কবিতা যার অনূদিত হলো
আমার হাতেই
আমাকে আস্তাকুঁড়ে
উহারা ছুঁড়ে ফেলে দিলো
কবিদের মন তবে আজকাল
সংকুচিত এরকম হলো
বুদ্ধিবৃত্তিক এক হত্যাযোগ্য চলে
হোমার বাল্মিকী বেদব্যাস নিউটন –
সেই যুগ থেকে
সম্প্রতি এই রোগ বর্ধিত
ত্রিগুণ অনুসারে
আকালি বাকালি গদ্য কবিতা চলে
‘আমি’ – ‘আমি’ সুউচ্চ আত্মচর্চায়
হম্বি তম্বি চলে
ডিজিটাল কাটাকাটি
নিজেকে বোদল্যার মনে করে
মনে করে বিনয় মজুমদার
হে এক কবিগণ
কবিতা লিখে ট্রাংকে রেখে দাও
সম্পাদক খাটের নিচ থেকে
এসে নিয়ে যাবে
এ মুরোদ আছে কি তোমাদের কারো!

পুরবী
আজ থাক
কবিতা উড়ে গেছে চরাচর থেকে
পড়ে আছে আত্মরমণকারী কবিদের
মিছে বুজরুকি।









