

সিরাজগঞ্জ তাড়াশ থেকে জিল্লুর রহমান :
সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলার দেশীগ্রাম ইউনিয়নের আশ্রয় প্রকল্পে বসবাসকারী এক হতদরিদ্র পিতার বুকফাটা আর্তনাদ আর সন্তানের চিকিৎসার জন্য দ্বারে দ্বারে ঘুরে বেড়ানোর দৃশ্য যেকোনো সংবেদনশীল মানুষকে কাঁদাবে।

প্যারালাইসিসে আক্রান্ত হয়ে একটি পা হারাতে বসা সন্তানের জীবন বাঁচাতে সমাজের বিত্তবান ও হৃদয়বান মানুষের কাছে আকুল সাহায্যের আবেদন জানিয়েছেন অসহায় পিতা নজরুল ইসলাম।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, নজরুল ইসলাম অত্যন্ত দরিদ্র একজন মানুষ। জীবিকার তাগিদে দিনমজুরের কাজ করে কোনোমতে সংসার চালান তিনি। তার স্নেহের সন্তান সোহান হঠাৎ করেই মারাত্মক অসুস্থ হয়ে পড়েন।
পরবর্তীতে প্যারালাইসিসে আক্রান্ত হয়ে সোহানের একটি পা কার্যক্ষমতা হারিয়ে পঙ্গুত্ব বরণের উপক্রম হয়েছে।চিকিৎসকদের মতে, উন্নত চিকিৎসা ও নিয়মিত ওষুধের মাধ্যমে সোহানকে সুস্থ করে তোলা সম্ভব।
কিন্তু অর্থাভাবে দীর্ঘদিন ধরে চিকিৎসাসেবা বন্ধ রয়েছে। যে ঘরে দুবেলা দুমুঠো খাবার জোটাতেই হিমশিম খেতে হয়, সে ঘরে এত ব্যয়বহুল চিকিৎসা চালানো দরিদ্র পিতা নজরুলের পক্ষে সম্পূর্ণ অসম্ভব।ছেলের যন্ত্রণায় কাতর মুখ আর পঙ্গুত্বের দিকে এগিয়ে যাওয়া জীবন দেখে স্থির থাকতে পারছেন না বাবা নজরুল ইসলাম।
একমাত্র সন্তানকে বাঁচানোর আশায় সমাজের বিভিন্ন দপ্তরে, জনপ্রতিনিধিদের কাছে এবং সামর্থ্যবান মানুষের দ্বারে দ্বারে ঘুরে বেড়াচ্ছেন তিনি। কিন্তু এখন পর্যন্ত কাঙ্ক্ষিত সহযোগিতা না পাওয়ায় চরম হতাশা ও নিদারুণ কষ্টে দিন কাটছে তাদেরএকটি তরতাজা প্রাণ ও পঙ্গুত্বের হাত থেকে বাঁচতে সোহানের সহযোগিতায় পেতে পারে নতুন জীবনের আলো।
তাই দেশ ও প্রবাসের সকল হৃদয়বান, দানশীল ও বিত্তবান মানুষের প্রতি বিনীত অনুরোধ—আপনাদের একটু সহানুভূতি ও আর্থিক সহায়তা বাঁচাতে পারে সোহানের একটি পা এবং তার ভবিষ্যৎ জীবন।
প্রকাশিত : সোমবার, ০৩ আগস্ট ২০২৬

















