

তামান্না সেতু :
বিয়ে করেন। আজই করেন। এই যন্ত্রণা আমার ঘাড় থেকে নামা দরকার। আপনি বিশ্বাস করবেন না, কী ভীষণভাবে আমি অপেক্ষায় আছি আরাফ কাউকে নিয়ে পালিয়ে গেছে, এই খবরটা শোনার জন্য। আমার পুরো জীবনটাকে এই ছেলেটা ছারখার করে দিয়েছে।

আরাফ ঘুম থেকে ওঠে দুপুর দুইটায়। উঠেই গোছানো বাড়িটার প্রতি ইঞ্চি আউলিয়ে ফেলে। বিছানার চাদর মেঝেতে, বালিশ সোফার নিচে, চায়ের কাপ বইয়ের তাকের ওপর। আমি সকালে যে ঘরটাকে মন্দিরের মতো সাজিয়ে রাখি, সে দশ মিনিটে সেটাকে কুরুক্ষেত্র বানিয়ে দেয়।
ওর খাওয়ার ধরনও স্বাভাবিক না। আমি যত্ন করে মাছের ঝোল রাঁধি, আলু ভর্তা করি, ডাল বাগাড় দিই। ও এসে ফ্রিজ খুলবে। তিন রকমের সস বের করবে: চিলি, বারবিকিউ, আর একটা কালো রঙের কী যেন। তারপর আমার রান্না করা তরকারির মধ্যে সব ঢেলে আবার চুলায় বসাবে। নাড়তে নাড়তে জিনিসটার রঙ যখন ঠিক গাঢ় বাদামি কাদার মতো হয়ে যায়, যখন গন্ধে আমার বমি আসে, তখন ও তৃপ্তি নিয়ে একা একা খাবে। প্লেটের পাশে ফোন, ফোনে পাবজি।
রাত চারটার আগে ওর চোখে ঘুম নেই। সারা রাত আমাদের বাসায় একটাই আওয়াজ বাজতে থাকে: “মার সাজিদ, মার মার মার! রিভাইভ দে, রিভাইভ! এনিমি পুশ করতেছে!” আমি পাশের ঘরে এপাশ ওপাশ করি। ফজরের আজান যখন দেয়, তখন ওর গলা ভেঙে আসে, তখন ও ঘুমাতে যায়।
এই ছেলেটাকে আপনি বিয়ে করতে চাইলে আমি সর্বাত্মক সহযোগিতা করব। প্লিজ, ওকে নিয়ে পালিয়ে যান। একটাই অনুরোধ: পালিয়ে অনেক দূরে যাবেন। দুই চার বছরের ভেতর যেন ফেরত না আসে। আমি একটু শান্তিতে ঘুমাতে চাই।
কীভাবে ওর কাছে যাবেন, সেটাও বলে দিচ্ছি। খালামনি হয়ে যান। ওর একটা অনলাইন পেইজ আছে, ‘ধ্রুবর খেলাঘর’। ওখান থেকে সস্তা একটা হেডফোন অর্ডার করে দিন। তারপর ডেলিভারি নিয়ে প্যাঁচাল শুরু করুন। “ভাইয়া, এটার বেজ তো কম”, “ভাইয়া, মাইক্রোফোনে নয়েজ আসে”। পারতেই থাকুন। ছেলেটা কাস্টমার সার্ভিস দিতে দিতে ক্লান্ত হয়ে যাবে, কিন্তু কথা বন্ধ করবে না।
তারপর ওকে বিরিয়ানি খাওয়াতে চান। খুব বড় ঝামেলা ফিল না করলে আরাফ বিরিয়ানির অফার এড়ায় না। একবার খাওয়ান, আবার খাওয়ান, আবারও। ওর কলিজা পর্যন্ত বিরিয়ানি পৌঁছে দেন।
দ্বিতীয় টিপস হলো, ওর সাথে এক টিমে পাবজি খেলেন। সারাদিন কথা বলার সুযোগ পাবেন। মাইক্রোফোনে ফুঁ দিয়ে দিয়ে বলবেন, “ভাইয়া, কভার দেন।” ও তখন নিজেকে হিরো ভাববে।
এরপর ‘আল্লাহ ভরসা’ বলে বুকে ফুঁ দিয়ে মনের কথা বলে ফেলুন। ঘটনা ঘটার সম্ভাবনা অবশ্য তখনও ৪%। এই হারামজাদারা খালি খায়, প্রেম ট্রেমে জড়ায় না। এদের সব প্রেম আমার প্রতি। আমি ওর আপুনি। আমি বকি, আমি রাঁধি, আমি কাঁদি।
পৃথিবীর সকল মানুষ বড় ভালো মনের। এরা কখনো কাউকে ঠকায় না। খালি ঠকে আর ঠকে। আমি খালি ভাবি, এদের ঠকায়টা কে?
আমি এখন নিউ মার্কেটে যাচ্ছি। কিন্তু হুট করে ওর সাথে দেখা হয়ে যাচ্ছে না। দুপুরের পরপর মেয়েকে ঘুম পাড়িয়ে ও আমাকে ফোন দিয়ে বলছে না, “বিকেলে বের হবি? চল আজ নিউ মার্কেটে যাই।”
আমরা সবাই রান্নাবান্না করে কিছু খাব, ওকে ফোন দিয়েছি রাত আটটায়। ও ফোন ধরেই বলছে না, “আমি তো নিউ মার্কেটে আপুনি, তুই পরে ফোন দে তো।”
নিউ মার্কেট ওর বড় পছন্দের জায়গা ছিল। ফরিদপুর নিউ মার্কেট। গলির মুখের চটপটি, দোতলার ওড়নার দোকান, তিনতলার মোবাইলের কাভার, সব ওর মুখস্থ।
আমিও ইদানীং খুব যাই। ঘুরে ফিরে যাই। অলিতে গলিতে ওকে খুঁজি। আড়াই গজের বড় সুতির ওড়না পরা মেয়ে দেখলেই বুকটা ধক করে ওঠে: ‘বাঁধুনি না তো?’
বাঁধুনি না। বাঁধুনি হয় না কেউ। বাঁধুনি কোথাও নেই।
বাঁধুনি ছিল আমার ছোট বোন। আমার আয়নার অপর পিঠ। আরাফের কলিজার টুকরা। ওই যে বললাম, “এদের সব প্রেম আমার প্রতি”, কথাটা অর্ধেক সত্যি। আরাফের অর্ধেক প্রেম আমার প্রতি, বাকি অর্ধেক ছিল বাঁধুনির। না, বাকি অর্ধেক না। বাঁধুনির জন্য আরাফের ছিল পুরোটা।
বাঁধুনি রাত করে বাসায় ফিরলে আরাফ জেগে থাকত। “কই ছিলি এত রাত পর্যন্ত?” ধমক দিত। বাঁধুনি বিরিয়ানি পছন্দ করত না, তবু আরাফ জোর করে প্লেটে তুলে দিত। “খা, না খেলে গেমসে নিব না।” বাঁধুনি হাসত। ওর হাসিতে আমাদের ভাঙা বাসাটা জোড়া লেগে যেত।
গত শ্রাবণে বাঁধুনি ফরিদপুর নিউ মার্কেটে গিয়েছিল। আমার জন্য জন্মদিনের উপহার কিনতে। আড়াই গজের একটা সুতির ওড়না, হালকা নীল জমিনে সাদা সুতার কাজ। ফেরার পথে বৃষ্টি নেমেছিল। রাস্তা পার হতে গিয়ে একটা ট্রাক ওকে আর দেখেনি।
আমরা যখন হাসপাতালে পৌঁছাই, ওর হাতে তখনও শপিং ব্যাগটা ধরা ছিল। ওড়নাটা ভাঁজ করা, বৃষ্টিতে ভেজেনি। শুধু বাঁধুনির হাতটা ঠান্ডা হয়ে গিয়েছিল।
সেই থেকে আরাফ দুপুর দুইটায় ওঠে। আগে উঠত সকাল আটটায়, বাঁধুনিকে কলেজে নামিয়ে দিতে। এখন আর কেউ নেই নামিয়ে দেওয়ার।
সেই থেকে আরাফ স্বাভাবিক খাবার খায় না। বাঁধুনি চিলি সস দিয়ে নুডলস খেতে ভালোবাসত। আরাফ এখন সব তরকারিতে সস ঢালে। বলে, “টেস্ট পাই না আপুনি। খাবারের টেস্ট নাই।” আমি জানি ও টেস্ট খোঁজে না। ও বাঁধুনির রেখে যাওয়া অভ্যাসগুলো চেটে চেটে খায়। তরকারির চেহারা যখন ‘গু’র মতো হয়, তখনই ওর মনে হয় বাঁধুনি পাশে বসে খিলখিল করে হাসছে।
সেই থেকে আরাফ রাত চারটায় ঘুমায়। বাঁধুনি মারা যাওয়ার পর প্রথম চল্লিশ দিন ও একফোঁটা ঘুমায়নি। চোখ লাল করে পাবজি খেলত। আমি জিজ্ঞেস করেছিলাম, “ঘুমাস না কেন?” ও বলেছিল, “ঘুমালেই স্বপ্নে দেখি, বাঁধুনি নিউ মার্কেটের সামনে দাঁড়ায় আছে। ব্যাগ হাতে। আমাকে ডাকতেছে। ঘুম ভাঙলে দেখি কেউ নাই। তারচেয়ে জেগে থাকি। জেগে থাকলে অন্তত মিথ্যা আশা থাকে না।”
“মার সাজিদ, মার মার মার” চিৎকারটা আসলে কান্না। ও গুলি করে এনিমি মারে না। ও গুলি করে নিজের ভেতরের শূন্যতাকে মারতে চায়। পারে না।
আমি ওকে বিয়ে দিয়ে ঘাড় থেকে নামাতে চাই, কথাটা মিথ্যা। আমি ভয় পাই। যদি আরাফ কাউকে নিয়ে সত্যি পালিয়ে যায়, এই বাসায় আমি কার সাথে ঝগড়া করব? কে আমার রান্না নষ্ট করে আবার রাঁধবে? কার চিৎকারে আমার ঘুম ভাঙবে? নীরবতা আমাকে খেয়ে ফেলবে। বাঁধুনি যাওয়ার পর থেকে নীরবতা আমার বড় শত্রু।
তাই আমি টিপস দিই। খালামনি সেজে ওর কাছে যান, বিরিয়ানি খাওয়ান, পাবজি খেলেন। মনে চাই, আপনি ফেল করেন। ৪% সম্ভাবনাটাও যেন শূন্য হয়ে যায়। কারণ ও যদি অন্য কারও হয়ে যায়, বাঁধুনির স্মৃতিটা এই বাসা থেকে পুরোপুরি মুছে যাবে। আমি চাই না। আমি চাই আরাফ এলোমেলো থাকুক। ওর এলোমেলো ঘরটায় আমি বাঁধুনির গন্ধ পাই।
আজও আমি নিউ মার্কেটে এসেছি। ফরিদপুরের এই মার্কেটটায় এখন আর আগের মতো ভিড় নেই। পদ্মা সেতু হওয়ার পর মানুষের যাতায়াত বদলেছে। দোকানগুলো ফাঁকা ফাঁকা। দোতলার ওড়নার দোকানটায় উঠলাম। সেই দোকানি চাচা আমাকে চিনতে পারলেন।
“আপনি বাঁধুনির বোন না? সেই যে নীল ওড়নাটা নিছিল?”
আমি মাথা নাড়ি। গলার কাছে কিছু একটা দলা পাকিয়ে আছে।
চাচা একটা ওড়না বের করলেন। হালকা নীল জমিনে সাদা সুতার কাজ। হুবহু সেইটা।
“এই ডিজাইনটা আর আসে না। কোম্পানি বন্ধ হয়ে গেছে। এইটা লাস্ট পিস ছিল। ভাবছিলাম আর বিক্রি করব না। আপনার জন্য রেখে দিছিলাম। নিয়া যান।”
আমি ওড়নাটা বুকে চেপে ধরি। সুতির কাপড়, তবু মনে হয় বাঁধুনির হাতটা ধরেছি। ঠান্ডা, কোমল।
মার্কেট থেকে বের হয়ে গলিটার মুখে দাঁড়াই। এইখানেই এক্সিডেন্টটা হয়েছিল। রাস্তার পাশে একটা শিউলি গাছ লাগিয়েছে কেউ। সাদা ফুল পড়ে আছে। বাঁধুনি শিউলি ভালোবাসত।
হঠাৎ পেছন থেকে কেউ ডাকল, “আপুনি!”
আমার শরীর ঝাঁকি দিয়ে উঠল। এই ডাকটা, এই স্বরটা। আমি ঘুরে তাকাই।
না, আরাফ না। একটা ছোট মেয়ে, ক্লাস সেভেনে পড়ে বোধহয়। তার বড় বোনকে ডাকছে। আড়াই গজের সুতির ওড়না পরা।
আমি হাসি। চোখে পানি, ঠোঁটে হাসি। বাঁধুনি না। বাঁধুনি হয় না কেউ। বাঁধুনি কোথাও নেই।
বাসায় ফিরে দেখি আরাফ ঘুমাচ্ছে। দুপুর দুইটা বাজে, আজ ওঠেনি। ঘরে পাবজির আওয়াজ নেই। অদ্ভুত নীরবতা। আমার বুকটা ধক করে উঠল। আমি দৌড়ে ওর ঘরে গেলাম।
ওর হাতে ফোন। ফোনের স্ক্রিনে বাঁধুনির ছবি। লক স্ক্রিনে। আরাফ ঘুমের মধ্যে কাঁদছে। চোখের কোণা দিয়ে পানি পড়ছে।
আমি ওর মাথায় হাত রাখি। চুলগুলো এলোমেলো। এই কুত্তাটা, এই যন্ত্রণাটা, এই আমার ভাইটা। ওকে আমি কোথাও যেতে দেব না।
টেবিলের উপর তিনটা সসের বোতল। পাশে একটা প্লেট। আমার রান্না করা ডাল, আলু ভর্তা। ছোঁয়াও হয়নি। সসও মেশায়নি আজ।
আমি বুঝি, আজ বাঁধুনির জন্মদিন। ওড়নাটা কিনতে গিয়েই তো…
আমি ওড়নাটা আরাফের গায়ে আলতো করে জড়িয়ে দিই। ও একটু নড়ে ওঠে। ঘুমের মধ্যেই বিড়বিড় করে, “বাঁধুনি, তুই আসছিস? আপুনি তোরে বকবে। এত দেরি করলি ক্যান?”
আমার বুকের ভেতরটা দুমড়ে মুচড়ে যায়। আমি ওর পাশে বসে থাকি। বাইরে শ্রাবণের মেঘ করেছে। বৃষ্টি নামবে।
পৃথিবীর সকল মানুষ ভালো মনের। এরা কাউকে ঠকায় না। তবু আমরা ঠকি। আমাদের ঠকায় সময়। আমাদের ঠকায় নিয়তি। আমাদের ঠকায় একটা ট্রাক, একটা বৃষ্টির সন্ধ্যা, একটা নীল ওড়না।
আরাফকে আমি বিয়ে দেব না। ওকে নিয়ে কেউ পালিয়েও যাবে না। ৪% সম্ভাবনাটাও আমি নিজে হাতে শেষ করে দেব।
কারণ এই ছেলেটা যতক্ষণ এলোমেলো করে বাঁচবে, ততক্ষণ আমার বাঁধুনি বেঁচে থাকবে। ওর চিৎকারে, ওর সস মাখানো তরকারিতে, ওর রাত জাগা চোখে।
আমি রান্নাঘরে যাই। আজ আবার যত্ন করে রাঁধব। মাছের ঝোল, আলু ভর্তা, ডাল। ও ঘুম থেকে উঠলে সস মেশাবে। তরকারির চেহারা ‘গু’র মতো হবে। আমি বকব। ও হাসবে। কান্না লুকানো হাসি।
নিউ মার্কেটে আমি আবার যাব। একা হাঁটব। বাঁধুনির গন্ধ গায়ে মেখে। আড়াই গজের ওড়না দেখলে এখন আর বুক ধক করে ওঠে না। এখন আমি জানি, বাঁধুনি ওড়নায় থাকে না। বাঁধুনি থাকে আরাফের না ঘুমানো রাতে। বাঁধুনি থাকে আমার না শুকানো চোখে।
বাঁধুনি কোথাও নেই, আবার সবখানে আছে। আমার বাঁধন আর আসবে না। কিন্তু ওর বাঁধনটা আমরা দুই ভাইবোন গলায় পেঁচিয়ে এখনও বেঁচে আছি।
এই যন্ত্রণা আমার ঘাড় থেকে নামা দরকার, আমি বলেছিলাম। ভুল বলেছিলাম। এই যন্ত্রণাটাই আমার বেঁচে থাকার প্রমাণ। আরাফ, তুই পালাস না ভাই। তোর আপুনি তোকে ছাড়া বাঁচবে না।
শারীরিক অক্ষমতার কারণ ও প্রতিকার
পুরুষের শারীরিক অক্ষমতা বা দুর্বলতা অথবা পুরু/ষত্ব হীনতা আজকাল প্রকট আকার ধারণ করছে। একদম তরুণ থেকে শুরু করে যে কোন বয়সী পুরুষের মাঝে দেখা যাচ্ছে এমন যৌ/ন সমস্যা।
অনেক পুরুষ অকালেই হারিয়ে ফেলছেন নিজের সক্ষমতা, উঠতি বয়সের যুবকরা রীতিমতো হতাশ হয়ে পড়ছেন। বাড়ছে দাম্পত্যে অশান্তি, সন্তানহীনতার হার এবং সত্যি বলতে কি বাড়ছে ডিভোর্সও।
কিন্তু কারণ কি পুরুষদের এই ক্রমশ শারীরিকভাবে অক্ষম বা দুর্বল হয়ে যাওয়ার পেছনে? কারণ লুকিয়ে আছে আমাদের বর্তমানের আধুনিক জীবনযাত্রার মাঝেই।
হ্যাঁ, আপনার প্রতিদিনের স্ট্রেসভরা অস্বাস্থ্যকর জীবন, আপনার নিজের কোনও একটা ভুলই হয়তো আপনাকে ক্রমশ ঠেলে দিচ্ছে পুরুষত্বহীনতার দিকে। অথবা হতে পারে আপনার শরীরে ধীরে ধীরে কমে যাচ্ছে যৌ/ন হরমোনের পরিমাণ, যা আপনার সংসারকে করছে অশান্তিময়।
কেন এমন হচ্ছে সেটা জানার আগে জানতে হবে পুরুষের একান্ত দুর্বলতাগুলো কী কী বা কেমন হতে পারে। তা জেনে নিলে আপনি নিজেই বুঝতে পারবেন, আপনার সমস্যাটা কোথায়।

শারীরিক অক্ষমতা বা দুর্বলতার বিষয়টিকে মোটামুটি ৩ ভাগে ভাগ করা যেতে পারে-
১. ইরেকশন ফেইলিউর : পুরুষ লি/ঙ্গের উত্থানে ব্যর্থতা। এতে করে লিং/গের উত্থানে সমস্যা তৈরি, যাতে করে দীর্ঘদিন যাবত লিং/গ গরম হয় না এবং সহ/বাসের উপযোগী হয় না।
২. পেনিট্রেশন ফেইলিউর : লি/ঙ্গের যো/নিদ্বার ছেদনে ব্যর্থতা, বা যো/নিতে প্রবেশের মত পর্যাপ্ত উথিত না হওয়া। এতে করে মাঝে মাঝে লিং/গ উত্থিত বা গরম হয় আবার গরম হয়েও শীতল হয়ে যায়। আবার গরম হলেও স্ত্রী যো/নীতে প্রবেশ করা মাত্রই তা নরম হয় যায়, ফলে সংসারে বাড়ে অশান্তি। বিবাহ বিচ্ছেদ বাড়তে থাকে।
৩. প্রি-ম্যাচুর ইজাকুলেশন : সহ/বাসে দ্রুত বী/র্য-স্খলন, তথা স্থায়িত্বের অভাব। এতে করে পুরুষের লিং/গ গরম হলেও তা খুব দ্রুতই পতন হয় বা বী/র্য আউট হয়ে যায়। তাতে নারী এবং কেউ পরম সুখলাভ করতে পারে না।
এ সমস্যার জন্য নাইট কিং পাউডার ও সিরাপ বেশ কার্যকরী ঔষধ। এই ঔষধ সেবনে উপরোক্ত সমস্যার সমাধান হবে, ইনশাল্লাহ।
কারণগুলি কি কি হতে পারে ?
প্রাকৃতিক বা শারীরিক কারণগুলোর মাঝে মুখ্য হলো-
১. ডায়াবেটিস,
২. লি/ঙ্গে জন্মগত কোনওপ্রকার ত্রুটি,
৩. সে/ক্স হরমোনের ভারসাম্যহীনতা,
৪. গনোরিয়া বা সিফিলিসের মত যৌ/নরোগ ইত্যাদি।
তাছাড়াও প্রাকৃতিক শারীরিক সমস্যা ছাড়াও প্রচণ্ড কাজের চাপ, মানসিক অশান্তি, দূষিত পরিবেশ, ভেজাল খাওয়া দাওয়া, কম বিশ্রাম ও ব্যায়াম ছাড়া অস্বাস্থ্যকর জীবনযাপন ইত্যাদি অনেক কারণই আছে ক্রমশ যৌ/ন সক্ষমতা হারিয়ে ফেলার পেছনে।
আবার অতিরিক্ত যৌ/ন সম্পর্কে যাওয়া, অতিরিক্ত মা/স্টার/বেট বা হ/স্তমৈ/থুন করা, যৌ/ন ক্ষমতা বাড়ানোর জন্য হাবিজাবি ওষুধ সেবন ইত্যাদি কারণকে অবহেলা করলেও চলবে না।
এছাড়া বয়স জনিত অসুস্থতা, সঙ্গিনীর সাথে বয়সের পার্থক্য বা সঙ্গিনীকে পছন্দ না করা, এইডসভীতি, পর্যাপ্ত যৌ/ন জ্ঞানের অভাব, ত্রুটিপূর্ণ যৌ/নাসনও অক্ষমতা বা দুর্বলতার জন্য দায়ী হতে পারে।
কী কি করবেন ?
প্রথমেই যা করবেন, সেটা হলো নিম্নোক্ত ডাক্তারের শরণাপন্ন হোন। লজ্জা না করে নিজের সমস্ত সমস্যা খুলে বলুন ও ডাক্তারের পরামর্শ মত প্রয়োজনীয় সকল চিকিৎসা নিন।
এতে লজ্জার কিছুই নেই। একটাই জীবন। লজ্জার চাইতে নিজেকে সুস্থ ও সক্ষম রাখা জরুরী। তাই দ্বিধাহীন চিত্তে যোগাযোগ করুন। আপনার সমস্যা অনুসারে আপনাকে ট্রিটমেন্ট দেওয়া হবে।
আপনার ডায়াবেটিস থাকলে প্রয়োজনীয় সকল নিয়ম কানুন মেনে চলুন।
নিজের জীবনধারাকে একটি স্বাস্থ্যকর জীবনে বদলে ফেলুন। নিয়মিত স্বাস্থ্যকর ও পুষ্টিকর খাবার খান, ব্যায়াম করুন, রাতে পর্যাপ্ত ঘুমান, চেষ্টা করে কাজের চাপের মাঝেও বিশ্রাম নিতে। আপনার শরীর যখন সুস্থ ও সক্ষম থাকবে, যৌনজীবনও থাকবে সুন্দর।
সঙ্গীর সাথে রোমান্টিক জীবনের উন্নতি করুন। এক ঘেয়ে যৌ/ন জীবনে নানান রকমের চমক ও আনন্দ নিয়ে আসুন। তাঁকেও বিষয়টি বুঝিয়ে বলুন যে নতুন চমক এলে আপনার মানসিকভাবে সাহায্য হবে। রোমান্টিক বেডরুম, আকর্ষণীয় অন্তর্বাস, সে/ক্স টয় ইত্যাদি এসব ক্ষেত্রে কাজে আসতে পারে।
যদি সঙ্গীকে অপছন্দ করার কারণে সমস্যা হয়ে থাকে, সেক্ষেত্রে চেষ্টা করুন সঙ্গীকে ভালবাসতে। তার সাথে দূরে কোথাও নিরিবিলি বেড়াতে যান, তাঁকে গভীর ভাবে জানার চেষ্টা করুন। আস্তে আস্তে তার প্রেমে পড়ার চেষ্টা করুন।

মানসিকভাবে প্রেমে পরলে শরীরটাও সাড়া দেবে। একটা জিনিষ মনে রাখবেন, বাস্তবের নারীর সাথে সিনেমার নায়িকা বা প/র্ণ স্টারদের মিল খুঁজতে যাবেন না। নিজের দিকে তাকান, নিজের সাধারণত্ব দেখুন। দেখবেন, সঙ্গীকেও আর খারাপ লাগছে না।
কী করা উচিত নয় ?
অতিরিক্ত মাস্টারবেট করার অভ্যাস অবিলম্বে ত্যাগ করুন। আর যাদের স্ত্রী আছে তাঁরা স্ত্রীর সাথেই যৌ/নজীবনে অভ্যস্ত হয়ে উঠুন।
বাজারে সাময়িকভাবে যৌ/ন ক্ষমতা বাড়ানোর কিছু ওষুধ পাওয়া যায়, যেগুলো সেবনে ২৪ ঘণ্টার জন্য যৌ/ন ক্ষমতা বাড়ে। এইধরনের ওষুধ মোটেও ব্যবহার করবেন না। এতে সাময়িক ক্ষমতা বাড়লেও, ক্রমশ আসলে ক্ষমতা কমতেই থাকবে।
যৌন রোগের শতভাগ কার্যকরী ঔষধ
যৌ/ন রোগ কয়েক প্রকার হতে পারে। তাই প্রথমেই আমাদেরকে বুঝতে হবে যৌ/ন রোগ কী?
যৌ/ন রোগ কয়েক প্রকার হতে পারে। যেমন :
১. সহ/বাসে অসমার্থতা।
২. দ্রু/ত বী/র্যপাত।
৩. অসময়ে বী/র্যপাত।
৪. সহ/বাসের আগেই বী/র্যপাত। অর্থাৎ নারীদেহ কল্পনা করলেই বী/র্যপাত হয়ে যাওয়া।
৫. প্রস্রাবের সাথে বী/র্যপাত।
৬. প্রস্রাবের বেগ হলেই বী/র্যপাত। স্বপ্নদোষ। মেহ রোগ।
৭. যৌ/নবাহিত রোগ। যেমন. গনোরিয়া, ক্লামিডিয়া, হার্পিস ইত্যাদি।
ওপরের ছয় নম্বর পর্যন্ত রোগের চিকিৎসা এক প্রকারের। আর তা হচ্ছে : নাইট কিং নিয়মিত সেবন করা। কয়েক মাস সেবন করলেই এ সমস্যা থেকে মুক্তি পাবেন।
নাইট কিং খুব ভালো মানের ঔষধ। যা সেবন আপনি দ্রুত বী/র্যপাত থেকে মুক্তি পাবেন। আর সাত নম্বর রোগগুলো থেকে মুক্তি পেতে হলে দীর্ঘদিন যাবত ঔষধ সেবন করতে হবে।
সারাদেশে কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে বিশ্বস্ততার সাথে ঔষধ ডেলিভারী দেওয়া হয়।
ঔষধ পেতে যোগাযোগ করুন :
হাকীম ডা. মিজানুর রহমান
(বিএসএস, ডিইউএমএস)
হাজীগঞ্জ, চাঁদপুর।
ইবনে সিনা হেলথ কেয়ার
একটি বিশ্বস্ত অনলাইন স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান।
চিকিৎসকের মুঠোফোন :
01762240650
( ইমো, হোয়াটস অ্যাপ)
ই-মেইল : ibnsinahealthcare@gmail.com
সারাদেশে কুরিয়ার সার্ভিসে ঔষধ পাঠানো হয়।
শ্বেতীরোগ, একজিমা, যৌনরোগ, পাইলস (ফিস্টুলা) ও ডায়াবেটিসের চিকিৎসক।
আরো পড়ুন : শ্বেতী রোগের কারণ, লক্ষ্মণ ও চিকিৎসা
আরো পড়ুন : মেহ-প্রমেহ ও প্রস্রাবে ক্ষয় রোগের প্রতিকার
আরো পড়ুন : অর্শ গেজ পাইলস বা ফিস্টুলা রোগের চিকিৎসা
আরো পড়ুন : ডায়াবেটিস প্রতিকারে শক্তিশালী ভেষজ ঔষধ
আরো পড়ুন : যৌন রোগের শতভাগ কার্যকরী ঔষধ
আরো পড়ুন : নারী-পুরুষের যৌন দুর্বলতা এবং চিকিৎসা
আরো পড়ুন : দীর্ঘস্থায়ী সহবাস করার উপায়
আরও পড়ুন: বীর্যমনি ফল বা মিরছিদানার উপকারিতা


















