ফরিদগঞ্জে জেলে অনাথ হত্যার রহস্য উন্মোচন, গ্রেফতার ১

মোঃ মহিউদ্দিন, ফরিদগঞ্জ প্রতিনিধি :
ফরিদগঞ্জে জেলে অনাথ চন্দ্র দাস(৫০) হত্যার ঘটনায় সেকান্দর গাইনের ছেলে সোহাগ (২৬) কে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার সোহাগের নিজ বাড়ি ফরিদগঞ্জের কড়ৈতলীতে তল্লাশী চালিয়ে গ্রেফতার করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেষ্টিগেশন (পিবিআই)। সোহাগ হত্যাকান্ডের জড়িত ছিল বলে জানিয়েছে পুলিশ।

জেলা (পিবিআই) প্রধান অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জুনায়েদ কাউসার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি আরোও বলেন, অনাথের একই বাড়ির প্রতিবেশী সুবল দাসের সাথে জমি সংক্রান্ত বিরোধ ছিল। এর জেরেই ১৯ জুলাই সোহাগসহ ৫ জন মিলে অনাথকে হত্যার পর ওয়াপদার খালের পানিতে ফেলে দেয়। সোহাগ আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছে। তদন্তের স্বার্থে আমরা সবকিছু খুঁলে বলতে পারছিনা।

এদিকে খালেই বেল জালে মাছ শিকার করতো সোহাগ। তাকে সন্দেহ হলে আটক করি। পরিশেষে তার কাছেই অনাথের মোবাইল ফোন উদ্ধারসহ হত্যার সাথে জড়িত থাকার তথ্যাদি পেয়েছি। সোহাগ সুভলকে কিছু টাকা দেনা ছিল, সেই টাকা শোধ করার শর্তেই হত্যাকান্ডে জড়িয়ে পড়ে সে।

এ ঘটনায় অনাথ চন্দ্র দাসের ছেলে সুভাস চন্দ্র দাস বাদী হয়ে ফরিদগঞ্জ থানায় ২৫ জুলাই /২১ইং অজ্ঞাত আসামীদের বিরুদ্ধে মামলা নং ৪০ রুজু করেন। মামলাটি পিবিআই সিডিউল ভূক্ত হওয়ায় ডিআইজি পিবিআই বনজ কুমার মজুমদার এর দিকনির্দেশনায় ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জুনায়েদ কাউসার ও পুলিশ পরিদর্শক আতিকুর রহমানের সার্বিক সহযোগীতায় হত্যাকান্ডের ক্লু উন্মোচন করতে সক্ষম হয়েছে।

উল্লেখ্য নিখোঁজের ৭দিন পর গত ২৫ জুলাই/২১ইং জেলে অনাথ চন্দ্র দাসের অর্ধগলিত লাশ কড়ৈতলী ওয়াপদা খাল থেকে উদ্ধার করে থানা পুলিশ।

ফরিদগঞ্জে বেশ ক‘টি হত্যাকান্ডের ক্লু এখনও উদঘাটন করতে পারেনি থানা পুলিশ। এর মধ্যে ফরিদগঞ্জ বেইলী ব্রীজ সংলগ্ন এলাকার ডাকাতিয়া নদীর তীর থেকে একটি কংঙ্কাল উদ্ধারের ঘটনাও রয়েছে। তাই সচেতন মহল মনে করছে হত্যাকান্ডগুলোর ক্লু উন্মোচনের জন্য পিবিআইকে দায়িত্ব দেওয়া যেতে পারে।

You might like