রায়পুরে কাজী না হয়েও ১১০২টি বিয়ে পড়ালেন মামুনুর রশীদ

মোঃ হৃদয় হোসেন, রায়পুর প্রতিনিধি :

১১০০তম বিয়ের নিজেই বর কাজী , শিরোনামে অনলাইন পোর্টাল সহ বি‌ভিন্ন গণমাধ্যমে কাজী না হয়েও ১০৯৯টি বিয়ে পড়িয়ে রায়পুরে ভাইরাল কাজী মামুনুর রশীদ

প্রকাশিত নিউজে বলা হয়েছে, প্রতিজ্ঞা করেছিলেন- এক হাজার বিয়ে পড়ানোর পর তিনি নিজে বিয়ে করবেন। অবশেষে ১০৯৯ বিয়ে পড়িয়ে প্রতিজ্ঞা পূরণ করতে বিয়ের পিড়িতে বসলেন কাজী মামুনুর রশীদ

কাজী মামুনুর রশীদের এমন ঘটনা দেখতে কৌতূহল জেগেছে লক্ষ্মীপুরের মানুষের। রবিবার নিজের বউভাত অনুষ্ঠানে বিষয়টি নিশ্চিত করেন কাজী মামুনুর রশিদ। এর আগে, গত শনিবার দুপুরে লক্ষ্মীপুর ওয়েলকাম চাইনিজ রেস্টুরেন্টে অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে বিয়ের কাজ সম্পন্ন হয়।

বর কাজী মামুনুর রশীদের বাড়ি লক্ষ্মীপুর রায়পুর পৌর ৬ নম্বর ওয়ার্ডের মৌলবি আব্দুল্লাহ সাহেবের বাড়ির কাজী মাওলানা মহতাসিম বিল্লাহর ছেলে।

জানা যায়, ২০১৭ সালে কাজী মামুনুর রশীদ বাবার হাত ধরে কাজী পেশার সাথে যুক্ত হন। এখন পর্যন্ত তিনি প্রায় ১০৯৯টি বিয়ে পড়িয়েছেন। যদিও রবিবার তার বউভাতের দিন থাকলেও তিনি আরও দুটি বিয়ে পড়ান। তার মানে এখন পর্যন্ত কাজী মামুনুর রশীদের বিয়ে পড়ানোর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১১০২।

বরের বাবা কাজী মোহতাসিম বিল্লাহ বলেন, আমার সাথে করেই মামুনুর রশীদকে বিয়ে পড়ানোর বিষয়ে শিখিয়েছি। আমি অসুস্থ থাকায় তাকে দিয়েই ৬নং ওয়ার্ডের বিয়ের কাজ সম্পূর্ণ করা হতো। তার জন্য শুভ কামনা।

প্রকাশিত নিউজের সূত্রধরে কাজী সমিতির সঙ্গে যোগাযোগ করে জানা যায়, রায়পুর পৌর ৬ ও ৭ নং ওয়ার্ডের কাজী হচ্ছেন কাজী মোহতাসিম বিল্লাহ। কাজী মামুনুর রশীদ কাজী মোহতাসিম বিল্লাহর ছেলে। মামুনুর রশীদ নিজে কোন কাজী নয়।

এ বিষয়ে কাজী মামুনুর রশীদ কয়েকজন গণমাধ্যমকে বলেন, ” আমি কোন কাজী না। আমার বাবা কাজী সেই সুবাদে আমি ২০১৭ সাল থেকে বাবার হাত ধরেই এপর্যন্ত ১১০২ টি বিয়ে পরিয়েছি। এতে দোষের কী করছি? সাংবাদিকরা আমাকে কেন কাজী উপাধি দিয়েছে সেটা আমি জানিনা। আমি বিষয়টি নিয়ে এখন সংবাদ সম্মেলন করব। অথচ সাংবাদিকদের দেওয়া এক ভিডিও সাক্ষাৎকারে দেখা যায়, কাজী মামুনুর রশীদ নিজেই ২০১৭ সাল থেকে এপর্যন্ত ১১০২ টি বিয়ে পরিয়েছেন বলে গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন। নিউজ প্রকাশের পরপরই যখন বিষয়টি নিয়ে তোলপাড় সৃষ্টি হয় তখন কাজী মামুনুর রশীদ নিজের দেওয়া বক্তব্য অস্বীকার করে সকল দায় সাংবাদিকদের উপর চাপিয়ে দিচ্ছেন বলে জানা যায়।

এ বিষয়ে কাজী সমিতির লক্ষ্মীপুর জেলার সাধারন সম্পাদক আবদুর রহমান হুমায়ুন বলেন, ” মামুনুর রশীদ না‌মে রায়পুর পৌর ৬ ও ৭ নং ওয়ার্ডে কোন কাজী নেই ।

You might like