

কত শত প্রহর যে কেটে গেছে ,
শুনি না গভীর রাতের নিস্তব্ধতা ভেদ করে আগের মতো তোমার বুকে সেই তীর ভাঙ্গা ঢেউয়ের গর্জন,অথচ একসময় তোমার বুকে

সাঁতার কেটে শৈশব কৈশোরের কত যে দুরন্তপনা, সোনালী দিনের স্বপ্ন দেখে স্বপ্ন এঁকে, সব এখানে সবকিছু ঠিকই তো ছিলো,
বিশাল জমিদার বাড়ির আঙিনার জুড়ে কাছারি বাড়ি, সেই শতবর্ষি ন্যূয়ে পড়া কড়ই গাছ, বাহির বাড়িতে বিশাল সিং দরজা,
নদীর তীরে বিদায়ী ঘাট, শুধু তোমাকে আজ তাই বড় বেশি মনে পড়ে, ক্ষণে ক্ষণে হৃদয়ের তন্ত্রীতে তন্ত্রীতে বাজে বেদনার সুর ঝংকার,
কোথায় যেন হারিয়ে গেছে সেই সব দিনগুলি, কপোতাক্ষ নদে সাঁতার কেটে বন্ধুদের নিয়ে কতো না লাফালাফি জলে ঝাঁপা ঝাঁপি,
তারপরে এক সময় ভর দুপুরে দু’চোখ লাল করে ,বাড়ি ফিরে মায়ের কাছে কতই না বায়না ধরা বন্ধুদের নিয়ে,
ধোঁয়া ওঠা ভাত খাওয়ার কত যে আবদার, সব যেনো আজ শুধুই অতীত,
স্মৃতির জানলা গুলোতে এখন ময়লা জমেছে ঢের, সেখানে পর্দা গুলো উড়ে না আর আগের মতো,
এখন শুধু হৃদয়ের কার্নিশ জুড়ে হৃদয় ভাঙার ঝড় বয়ে যায় সকাল থেকে দুপুর অবধি ,
পড়ন্ত বিকেলেই আকাশে দিকে তাকাতেই চোখে পড়ে অসংখ্য পাখি ঝাঁকে ঝাঁকে দলবেঁধে নীড়ে ফিরে যায়, চোখ মেলে তাকিয়ে দেখি দূর নীলিমায় কি অপূর্ব সেই দৃশ্য,
গোধূলির সিঁদুর রাঙা মেঘেদের উড়ে যাওয়া, যখন দিন শেষে আঁধার নামে, গভীর রাতে বালিশে কান পাতলেই শুনতে পাই, মাতৃসম কপোতাক্ষ নদের বুকে আবারো অসংখ্য তীর ভাঙ্গা ঢেউয়ের শব্দ,
ঘুম ভাঙলে ধপ্ করে কেঁপে উঠে বুকটা, ভাবি এটা কি স্বপ্ন না দুঃস্বপ্ন ?
কেনো জানিনা তোমার স্মৃতি বারবার ভেসে উঠে দু’চোখের সীমানা জুড়ে তোমার অতীত, কি নেই সেখানে সবকিছু আছে আগের মতো, কিন্তু শুধু তোমার মৃত্যু নেই, অমর হয়ে আছো-থাকবে অনন্তকাল গোটা বিশ্বজুড়ে, বাংলা সাহিত্যের নীল গগনের ধ্রুবতারা,অতি উজ্জ্বল এক নক্ষত্র দত্তকুলোদ্ভুত মহাকবি শ্রী মাইকেল মধুসূদন দত্ত।
শনিবার, ২৫ জানুয়ারি ২০২৫১১ মাঘ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
স্ক্যাবিস বা চুলকানি থেকে রক্ষা পেতে কী করবেন?
ডায়াবেটিস প্রতিকার ও প্রতিরোধে শক্তিশালী ঔষধ
শ্বেতী রোগের কারণ, লক্ষ্মণ ও চিকিৎসা
যৌন রোগের কারণ ও প্রতিকার জেনে নিন
চর্মরোগ দাউদ একজিমা বিখাউজের কারণ ও প্রতিকার জেনে নিন










