

সজীব খান :
চাঁদপুর সদর উপজেলার পরিষদের সামনে থেকে শুরু হওয়া জনগুরুত্বপূর্ণ বিটি সড়কটি দীর্ঘদিন ধরে সংস্কারবিহীন অবস্থায় পড়ে আছে। সড়কের বিভিন্ন স্থানে সৃষ্টি হয়েছে বড় বড় গর্তের। কোথাও কোথাও রাস্তার অস্তিত্বই মুছে গেছে। বর্ষা মৌসুমে কাঁদা-পানিতে তলিয়ে গিয়ে চলাচল একেবারেই দুর্বিষহ হয়ে পড়ে। তবুও ঝুঁকি নিয়েই চলছে অটোরিকশা, সিএনজি, এমনকি পণ্যবাহী গাড়িও। স্থানীয়দের অভিযোগ, বছরের পর বছর ধরে এই দুর্ভোগ সহ্য করলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সড়কটি সংস্কারে কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেয়নি। ফলে জনদুর্ভোগের মাত্রা দিন দিন ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে।
সোমবার (২৮ জুলাই) সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, উপজেলা পানি উন্নয়ন বোর্ড জামে মসজিদের সামনে থেকে শুরু হয়েছে খানাখন্দের,ফলে সড়কের বেহাল অবস্থা চরমে পৌঁছেছে।

জনগুরুত্বপূর্ণ এ সড়কটি কয়েক বছর পূর্বে উন্নয়ন করা হলেও সড়কে এখন অধিকাংশ স্থান জুড়ে বিরাজ করছে চরম দুর্দশা। বিভিন্ন স্থানে সড়কের ঢালাই উঠে গিয়ে সৃষ্টি হয়েছে বড় বড় গর্তের। কিছু কিছু জায়গায় সড়কের চিহ্নটুকুও আর অবশিষ্ট নেই। বর্ষা মৌসুমে গর্তগুলো পানি জমে চরম ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ে। সড়কের পাশে কোথাও কোথাও গভীর খাদের সৃষ্টি হয়েছে। যেখানে সামান্য অসাবধানতাই বড় দুর্ঘটনার কারণ হতে পারে। পথচারী ও যানবাহন চালকদের চলাচলে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। মোটরসাইকেল থেকে শুরু করে সিএনজি অটোরিকশা, এমনকি পণ্যবাহী গাড়িগুলোও হেলে দুলে ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে।
পথচারী মানিক বলেন, “এই রাস্তা দিয়ে হাঁটাও এখন দুরূহ হয়ে পড়েছে। স্কুল, মাদ্রাসার শিশুদের কাঁদা মাড়িয়ে যেতে হয়। ফেক কাদা দিয়ে প্রতিদিনই আমাদের যাতায়েত করতে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। বিশেষ করে উপজেলার সামনে থেকে ষোলঘর আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় পর্যন্ত বড় বড় গর্ত সৃষ্টি হয় মরন ফাঁদে পরিণত হয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দা দিদার বলেন, “বিটি সড়কের বর্তমান বেহাল অবস্থায় আমরা চরম ভোগান্তিতে আছি। সারাদেশে উন্নয়ন হলেও এ সড়কে কোনো কাজ হয়নি। সংশ্লিষ্টদের দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানাচ্ছি।”
স্থানীয় ব্যবসায়ী বলেন, “দীর্ঘদিন ধরে বিটি সড়কটি মেরামত না হওয়ায় চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়েছে। গ্রাম থেকে শুরু করে শহড়ের মানুষ চরম দুর্ভোগে আছে। জানি না, এই কষ্ট আর দুর্ভোগ কবে নাগাদ শেষ হবে।”
ষোলঘর আর্দশ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রেজাউর করিম বলেন, “চাঁদপুর সদর উপজেলা পরিষদের সামনে থেকে শুরু হওয়া বিটি সড়কে উত্তরাঞ্চলের যাতায়াতের অন্যতম যোগাযোগ হিসেবে ব্যবহার করা হয় এই গুরুত্বপূর্ণ সড়কটি প্রতিদিন সিএনজি, বাস, ট্রাকসহ বিভিন্ন ধরণের পণ্যবাহী গাড়ি চলাচল করলে থাকে, ষোলঘর আর্দশ উচ্চ বিদ্যালয়, ষোলঘর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজসহ শহড়ের প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের ছাত্র ছাত্রী, শিক্ষক শিক্ষিকা যাতায়েত করছে।
এভাবে সড়কটি আরো কিছুদিন থাকলে বড় বড় গর্ত হয়ে যানবাহনসহ পথচারীদের চলাচল পুরোপুরিভাবে বন্ধ হয়ে পড়েছে। কোনমতে মটরসাইকেল অটোরিক্সা চলা চল করলেও রয়েছে বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্ক। বর্তমানে এই সড়কটি যানবাহন চলাচলে অযোগ্য হওয়ার উপক্রম হয়েছে।
চাঁদপুর সদর উপজেলা প্রকৌশলী মোঃ রাহাত আমিন পাটওয়ারী বলেন, এটা পৌর সভার অংশ, বাকীটা মোটামুটি ঠিক আছে, দুই একদিনের মধ্যেই আমরা খোয়া দিয়ে চলাচলের উপযুক্ত করে দিব।
মঙ্গলবার, ২৯ জুলাই ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ।
১৪ শ্রাবণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
অনলাইনে সংবাদ জনপ্রিয় করবেন যেভাবে
স্ক্যাবিস বা চুলকানি থেকে রক্ষা পেতে কী করবেন?
ডায়াবেটিস প্রতিকার ও প্রতিরোধে শক্তিশালী ঔষধ
শ্বেতী রোগের কারণ, লক্ষ্মণ ও চিকিৎসা
যৌন রোগের কারণ ও প্রতিকার জেনে নিন
চর্মরোগ দাউদ একজিমা বিখাউজের কারণ ও প্রতিকার জেনে নিন
চর্মরোগ দাউদ একজিমা বিখাউজের কারণ ও প্রতিকার জেনে নিন











