

মেহেরপুর প্রতিনিধি:
সমাজের বিদ্যমান নানা সমস্যা, মাদকের ভয়াল থাবা থেকে যুব সমাজকে রক্ষা, ইভটিজিং প্রতিরোধ এবং গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়নসহ বিভিন্ন জনগুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে মেহেরপুর-১ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য মাওলানা মোঃ তাজউদ্দীন খান এর সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় করেছে দারিয়াপুর ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর একটি প্রতিনিধি দল।

সোমবার সন্ধ্যায় এমপি মহোদয়ের নিজ বাসভবনে এই মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
দারিয়াপুর ইউনিয়ন জামায়াতের আমীর মাওলানা আব্দুল হালিমের নেতৃত্বে প্রতিনিধি দলে উপস্থিত ছিলেন ইউনিয়ন সেক্রেটারি জনাব মোঃ সোহেল রানা মোল্লা, সমাজকল্যাণ সম্পাদক মোঃ জিয়ারুল হক, পেশাজীবী সম্পাদক জনাব মোঃ সোহেল রানা, যুব সম্পাদক জনাব মোঃ ইলিয়াস হোসেন, শ্রমিক কল্যাণ সম্পাদক জনাব মোঃ আফিরুল ইসলামসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।
সাক্ষাৎকালে নেতৃবৃন্দ এলাকার সার্বিক পরিস্থিতি এমপি মহোদয়ের সামনে তুলে ধরেন। বিশেষ করে তারা বলেন, বর্তমানে মাদক একটি সামাজিক ব্যাধিতে রূপ নিয়েছে। গ্রামের তরুণ ও যুবকরা মাদকের সহজলভ্যতার কারণে ধ্বংসের পথে যাচ্ছে। এই অবস্থা থেকে যুব সমাজকে বাঁচাতে হলে শুধু আইন প্রয়োগ নয়, পারিবারিক সচেতনতা, ধর্মীয় মূল্যবোধ জাগ্রতকরণ এবং খেলাধুলা ও কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা জরুরি।
পাশাপাশি স্কুল-কলেজগামী ছাত্রীদের নিরাপত্তা ও ইভটিজিং প্রতিরোধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান তারা। ইভটিজিংয়ের কারণে অনেক মেধাবী ছাত্রী ঝরে পড়ছে উল্লেখ করে তারা প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সামনে নজরদারি বাড়ানো এবং সচেতনতামূলক কার্যক্রম জোরদারের দাবি জানান।
এছাড়া দারিয়াপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামীণ রাস্তাঘাটের বেহাল দশা, ড্রেনেজ ব্যবস্থা, বিশুদ্ধ পানির সংকট এবং কৃষি উন্নয়নসহ গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়নে দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য সংসদ সদস্যের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন নেতৃবৃন্দ।
এ সময় মেহেরপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য মাওলানা মোঃ তাজউদ্দীন খান বলেন, “একটি সুন্দর সমাজ গঠনে মাদক ও ইভটিজিং মুক্ত যুব সমাজ অপরিহার্য। মাদকের বিরুদ্ধে আমাদের সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে। এ বিষয়ে জামায়াতে ইসলামীসহ সকল সামাজিক সংগঠনের সহযোগিতা প্রয়োজন।”
তিনি আরও বলেন, “গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন সরকারের অগ্রাধিকার। দারিয়াপুর ইউনিয়নের উন্নয়নে পর্যায়ক্রমে সকল সমস্যা সমাধানে আমি আন্তরিকভাবে কাজ করবো। আপনাদের দেওয়া প্রস্তাবগুলো আমি গুরুত্বের সাথে নিয়েছি।”
সাক্ষাৎ শেষে দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনা করে দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।
প্রতিনিধি দলের এই গঠনমূলক আলোচনাকে স্থানীয় সচেতন মহল ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন।

















