
প্রশাসনের নিষেধাজ্ঞার পরও হালদা নদী থেকে ডিমওয়ালা মাছ ধরা বন্ধ হচ্ছে না। বুধবার এ নদী থেকে ৭ কেজি ওজনের একটি ডিমওয়ালা রুই মাছ উদ্ধার করা হয়।
স্থানীয়রা জানান, চট্টগ্রামের হাটহাজারীর উত্তর মাদার্শা ইউনিয়নের আমতোয়া এলাকার মির্জা আলীর নতুন বাড়ি থেকে বুধবার বিকেল সাড়ে ৩টায় মাছটি উদ্ধার করা হয়। ওই বাড়ির প্রয়াত গুরা মিয়ার ছেলে শামসু মিয়া বুধবার ভোরে হালদা নদীতে ঘেরা জাল বসিয়ে মাছটি ধরেন।

২৮ ইঞ্চি দৈর্ঘ্য ও ৭ কেজি ওজনের রুই মাছটি তিনি বিক্রির জন্য বস্তায় ভরে অন্যত্র নেয়ার চেষ্টাকালে ধরা পড়েন। কারণ তার এই মাছ ধরার খবর এর আগেই পৌঁছে যায় উত্তর মাদার্শা ইউপি চেয়ারম্যান মঞ্জুর হোসেন চৌধুরী মাসুদের কাছে। শামসুর বাড়িতে পরিষদের গ্রাম্য পুলিশ ও দফাদার পাঠান চেয়ারম্যান। তবে এ খবর শুনতে পেয়ে পালিয়ে যান শামসু। পরে তার ঘর থেকে বস্তায় মোড়ানো রুই মাছটি উদ্ধার করা হয়। পাঠানো হয় হাটহাজারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে।
হাটহাজারীর ইউএনও রুহুল আমিন জানিয়েছে, শামসুর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে। মা রুই মাছটি আপাতত ফ্রিজে সংরক্ষণ করা হয়েছে। মাছটি বৃহস্পতিবার পাঠানো হবে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের হালদা রিসার্চ ল্যাবরেটরিতে।
টানা বৃষ্টি, পাহাড়ি ঢল ও মেঘের গর্জন-এই তিনের সমন্বয় হলেই বিশ্বের একমাত্র জোয়ার-ভাটার মিঠাপানির প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজননক্ষেত্র হালদা নদীতে ডিম ছাড়বে কার্প জাতীয় (রুই, কাতাল, মৃগেল ও কালিবাইশ) মা-মাছ।










