

নিউজ ডেস্ক :
মৃত্যুদন্ডের নামে ধর্ষণ বিরোধী আইন জনগণের দৃষ্টিকে ভিন্ন খাতে নেয়ার পরিকল্পনার অংশ বলে মনে করেন সাবেক ডাকসু’র জিএস ও বিএনপি’র যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন।

তিনি বলেন, একের পর এক ছাত্রলীগের পৈশাচিক নারী ধর্ষণের মহাউৎসবকে ধামাচাপা দিতেই সরকার তড়িঘড়ি ধর্ষণ বিরোধী আইন সামনে নিয়ে আসতে চায়। তবে মৃত্যদন্ড ধর্ষণের মুল সমাধান নয়। দেশের মা-বোনদের ইজ্জত রক্ষায় ছাত্রলীগকে নিষিদ্ধ করাই এখন জরুরী ।
তিনি বলেন, আওয়ামীলীগের দুঃসাশনের জাঁতাকলে দেশের গণতন্ত্র ও জনগণের ভোটাধিকার পিষ্ট হয়েছে । আজ স্বার্বিক পরিস্থিতি বলে দেয় স্বাধীনতার ৪৯ বছর পরে আবারও স্বাধীনতাকে খুঁজছি, গণতন্ত্র, ভোটাধিকার এবং মা-বোনদের ইজ্জত রক্ষায় যুদ্ধে নেমেছি।
তিনি সরকারের পদত্যাগ দাবী করে আরো বলেন, দুর্নীতি, লুটপাট, গুম, খুন ও ধর্ষণের রক্তে আওয়ামীলীগকে সাজিয়ে রেখেছেন। মানবাধিকারের উপর শিকল পরিয়ে দিয়ে বিশ্বের কাছে বাংলাদেশকে ধর্ষন ও গুম, খুনের রাজ্য বানিয়েছেন। এবার পদত্যাগ করুন অন্যথায় পতন অনিবার্য।
তিনি আজ ৯ সেপ্টেম্বর শুক্রবার সকাল ১১টায় জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে “সারাদেশে নারী ধর্ষণ ও শিশু নির্যাতনের প্রতিবাদে “বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী সাংস্কৃতিক দল” আয়োজিত মানব বন্ধনে এসব কথা বলেন।
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী সাংস্কৃতিক দলের সভাপতি হুমায়ুন কবির বেপারীর সসভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক এম আহমদ খান মন্টু পরিচালনায় আরো বক্তব্য রাখেন, বিএনপি’র সহ সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল খালেক, নির্বাহী কমিটির সদস্য মোঃ রহমত উল্লাহ,সাংবিধানিক অধিকার ফোরামের সভাপতি বাবু সুরঞ্জন ঘোষ, সাংস্কৃতিক দলের সহ সভাপতি তাজুল ইসলাম সেলিম, আব্দুল লতিফ হালিম, চট্টগ্রাম বিভাগীয় প্রধান সমন্বয়কারী আব্দুল বাকের, শাহবাগ থানা বিএনপি’র যুগ্ম আহ্বায়ক রাইসুল ইসলাম চন্দন, আরাফাত রহমান কোকো ক্রীড়া চক্রের ভাইস-চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম বাবলু, সাধারণ সম্পাদক ফারুক হোসেন রুদ্র প্রমুখ।
আমরা সংবাদের বস্তুনিষ্ঠতায় বিশ্বাসী, প্রিয় সময় গুজব প্রচার করে না
০৯ অক্টোবর ২০২০ খ্রি. ২৪ আশ্বিন ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ২১ সফর ১৪৪২ হিজরি, শুক্রবার











