

জিএম মুছা :
মেঘের দেশে এখন বড় বেশি পানি শূন্যতা, হতাশার চোরাবালিতে ঢাকা পড়েছে একটি দৃশ্যপট, চৈত্রের খরা উ’ভে গেছে বৈশাখের প্রচন্ড খরতাপে, মায়াবতী পোয়াতী মেঘেরা ক্লান্ত শরীরে অলস দুপুরে ব্যথা-বেদনায় মুষড়ে ওঠে, মর্ধান্য দুপুরের প্রখর সূর্যাটা একটু একটু করে পশ্চিমে সরে যাচ্ছে, দুপুর গড়িয়ে বিকেল অবধি ভারী দেহে দোল খায়, অন্ত: সত্ত্বা মেঘেরা প্রসব বেদনায়, সিদূর রাঙা মেঘের হাতছানিতে, গোধূলি পেরুতেই -তির তিরে হালকা -হালকা শীতল- বাতাস ছুঁয়ে যায় সমস্ত তনুমন।

হৃদয় ছোঁয়া আবেশে শিহরণ তোলে সন্ধ্যাকাশে, মেঘেদের উড়াউড়ি দেখে? মেঘবতী মেঘেদের কষ্ট গুলো দ্রুত বেড়ে চলে, আগের মতো কোথাও এখন মেঘের তর্জন-গর্জন নেই, মেঘেদের প্রসববেদনা যেন বেড়েই চলে ,কি করে বৃষ্টি হবে বলো ?
মেঘবতি মেঘেদের পাহাড়ের কোল ঘেঁষে চলা এখন নিষেধ, দুর্বল শরীর বেশি নড়াচড়া মানা, মেঘেরা তর্জন-গর্জন করলেই তো বুঝা যায়, প্রসূতি মেঘেদের করুন আত্মচিৎকার, ওদের প্র-পিতামাহি কোন একদিনে মায়াবতী মেঘেদের ডেকে বলেছিলো, শোন নাত-বৌ তোরা অযথা চিন্তা করিস নে,ভয় পাইস নে, বলছি তো কিচ্ছু হবে না, দেখিস খুব তাড়াতাড়ি বৃষ্টি হবে, তোদের শরীর হালকা ফুরফুরে হবে ,তখন তোরা ইচ্ছেমতো যেথায় খুশি ঘুরে বেড়াস, উড়ে বেড়াস, কেউ কিচ্ছু কবে না।










