
যুবক অনার্য
না এভাবে ঠিক হয় না।এই ভার্চুয়াল লেনদেন ব্যাপক অর্থেই এক বৃত্তাকার প্রতারণা। অবন্তিকা আমাকে বলেছিল:সে খুব জাম্বুরা ফুলের ঘ্রাণ পাচ্ছে আর তার লাগছে মাতাল মাতাল যদিও তার আশেপাশে তখন কোনো জাম্বুরা বৃক্ষের ছায়াও ছিলনা লুকিয়ে -অদৃশ্য কিংবা গোপন শত্রু অথবা গুপ্ত ঘাতকের মতো করে আর বলেছিল:জাম্বুরা ফুলের ঘ্রাণ নিয়ে একটি কবিতা লিখে দিতে।আমি বলেছিলাম:আমি কখনো জাম্বুরা ফুলের ঘ্রাণ শুঁকিনি কি করে লিখবো কবিতা তবে জাম্বুরা নিয়ে।

বরং বলতে চেয়েছিলাম:তোমার চুলগুলো এলিয়ে দাও।আমি অভিজ্ঞ আর গন্ধসন্ধানী মৌমাছির মতো শুঁকে নেবো তোমার রেশমি চুলের ঘ্রাণ। তোমার অনাঘ্রাতা চুলের মধ্যেই করছে অধিবাস পৃথিবীর তাবৎ ফুলের ওরকম ঘ্রাণ আর মাদকতা তীব্ররকম।বলতে পারি নি সঙ্গত কারণেই কেননা অবন্তিকার সংগে তখোনও আমার সম্পর্কটা হয়ে ওঠেনি অবন্তিকাময়।
তাই আরো একটি ভার্চুয়াল অভিজ্ঞতা থেকে আমাকে বঞ্চিত হতে হয়েছিল।
জাম্বুরা বা তার ফুল নিয়ে কবিতা লিখা সুতরাং আমার হয়ে উঠলো না। অবন্তিকা তারপর যেরকম হয় ভার্চুয়ালি এবং সশরীরে কোথায় যেনো হারিয়ে গিয়েছিলো।হারিয়ে যাবার যুক্তি সম্মত কারণ আমি খুঁজে বেরিয়েছি দীর্ঘ বছর কিন্তু পাইনি তা খুঁজে।তবে খুঁজে পেয়েছিলাম জাম্বুরা তার ফুল ফুলের ঘ্রাণ- এর অর্থ আর সেই নিয়ে যা লিখতে হবে যেভাবে লিখতে হবে কী অর্থ ছিলো সেই কবিতার আর কবিতা লিখবার, যে- কবিতা লিখতে গেলে জানালার পাশে কিংবা উঠোনে জাম্বুরা গাছের কোনো প্রয়োজন নেই!










