
যুবক অনার্য :
একদিন আমাকে হারিয়ে তুমি খুব কাঁদবে
কিন্তু সেদিন আমি তোমার নাগালের অনেক বাইরে। বাকাট্টা ঘুড়ির মতো – তোমার হাতে লাটাই
আর আমি সুতো ছেঁড়া ঘুড়ি – উড়ি আকাশে উড়ি
আমি এক ছন্নছাড়া ঘুড়ি!

তোমার হাত থেকে তোমার অজান্তেই লাটাইখানি
ঠাস করে পড়ে যাবে। তুমি
তাকিয়ে আকাশের দিকে – দেখছো – মাথার উপরে এক বিশাল আকাশ কিন্তু সেখানে আমি নেই
আমি কোথাও নেই। আমাকে খুঁজে খুঁজে
অনেক করে খুঁজেও কোথাও পাবে না!
আমাকে খুঁজবে কেনো জানো? তুমি জান না,
তাই বোলতে হচ্ছে আমাকেই- তোমার হাতে যখন লাটাই ছিল আর আমি সুতোয় বাঁধা ছিলাম,
আমাকে যেভাবে ইচ্ছে চাইলে ঘুরাতে পারতে সেভাবেই।
তুমি ভাবতেই পারো নি যে,
যে- কোনো সময় সুতো ছিঁড়ে যেতে পারে।
তো, সুতো ছিঁড়ে গেলো – আমি চলে গেলাম
তোমার নিয়ন্ত্রণের বাইরে।
আমাকে হারানোর জন্য নয়, আমার উপর
তুমি আর কর্তৃত্ব করতে পারবে না –
সেই কষ্টেই তুমি খুব
ভেঙে পড়বে, তাই আমি তোমাকে কোনোদিন
ভালোবাসতে পারি নি। তার চেয়ে বড়ো কথা –
আমি যে তোমাকে আর তোমার কর্তৃত্বকে
তুমুল ঘৃণা করতাম সে কথা তুমি কোনোদিন
জানতেও পারবেনা।জানতে পারবে না
কারণ যাদের হাতে লাটাই থাকে- বাকাট্টা রকমের
একটি ঘটনা যে নিমিষেই ঘটে যেতে পারে-
এটা কখনোই তাদের মনে থাকে না। মনে থাকে না-
ঘুড়ি মানেই চিরদিন সুতোয় বাঁধা পড়া নয়,
ইচ্ছে হলে ঘুড়িও লাটাইকে তুচ্ছ করে
সুতো ছিঁড়ে আকাশে উড়ে যেতে পারে;
ইচ্ছে হলে ঘুড়িও আকাশ হতে পারে।










