
লেখালিখি নিয়ে
আমার কিছু তুকতাক আছে-
যা কখনোই কবিতা নয়।
কবিতা- সে তো জীবন বাবু,
বিনয় মজুমদার, শহীদ কাদরী,
আবুল হাসান, ফাল্গুনী রায়দের কাজকাম।
আমি তো ক্ষুদ্র এক অবিনাশ
মানে অবিনাশ চৌধুরী।
আমার সম্পর্কে বলতে পারা যায়-
বোলবার মতো তেমন
কিছুই কি থাকতে পারে?

নেই। তবু-
আমি আমার ব্যক্তিগত কিছু
অনুভূতি লিখে যেতে চাই।
তবে বিষয়টি পুরনো-
বোল্লে চর্বিতচর্বণ হয়ে যাবে
কারণ এ প্রসংগে অজস্রবার বলা হয়ে গেছে।
ভূমিকা দীর্ঘ না করে নাতিদীর্ঘ করে বলি-
প্রাগৈতিহাসিক কাল থেকেই
অধর্ম আর পুরুষতন্ত্র নারীকে
করে আসছে নির্যাতন কেবলি নির্যাতন।
প্রশ্ন হলো- পুরুষ যখোন
নারীকে নির্যাতন করে-
চোখের সামনে কি ভেসে ওঠেনা
মমতাময়ী মায়ের ছবি তার!
মনে কি পড়ে না-
সে এবং পৃথিবীর প্রতিটি পুরুষ-নারীর গর্ভজাত সন্তান?
নারীর নাড়ী ছিঁড়েই তাকে আসতে
হয়েছিলো এই পৃথিবীতে?
উত্তর : মনে পড়ে না,
পড়লেও পুরুষের কিছুই এসে যায় না।
এসে যায় না কেনো?
তার একটি বিশেষ রকমের
যন্ত্র আছে বোলে-
যে যন্ত্রখানি সব সময়
তাক করা থাকে নারীর সমগ্র সত্তা
আর শরীরের দিকে?
মনে পড়ে যায় অবিনাশ চৌধুরীও
একজন পুরুষ-তারও উরুসন্ধিতে
প্রকৃতি গেঁথে দিয়েছে কী নিপুণ
ভঙ্গিমায় অই বিশেষ যন্ত্রটি।
ঠিক তখোনই মনে হয়-
বিশেষ অই যন্ত্রটি বিশেষ কোনো
ধারালো যন্ত্র দিয়ে কাটাস কাটাস
করে কেটে ফেলি।
ভেঙে যাক যন্ত্রসভ্যতার তুমুল যন্ত্রণা।










