
তবে আমি সেই মহিলা সেই আপু সেই মেয়েটির কথাই বলি যিনি ফেসবুকে পোস্ট দিয়েছিলেন-
‘এই ডিজিটাল সময়ে যদি মুহম্মদ ও কৃষ্ণ
বেঁচে থাকতেন তাহলে তাদেরকে প্লেবয়
উপাধি দেয়া হতো।’ তার সেই পোস্টে তেমন কেউ অপোজ করেনি।অপোজের কথা আসলো
এজন্যই যে -কথাটির পক্ষে কোনো প্রুফ
সে উপস্থাপন করতে পারে নি।আর এটা অবশ্য প্রুফবাচকও কিছু নয় যেহেতু তিনি ‘যদি’ শব্দটি উচ্চারণ করেছেন।তবে প্লেবয় কেনো বলা হতো সে সম্পর্কে তিনি এক লাইনও কিছু লিখেন নি,যদিও লেখাটাই নিয়ম বা বাঞ্চনীয়।
প্লেবয় বলেছেন কেনো- মুহম্মদ ১৩ টি বিয়ে করেছিলেন – এজন্যই কি বলেছেন?১৩টি বিয়ের প্রত্যেকটির পেছনে যৌক্তিক কারণ আছে
যে- সমস্ত কারণ আপনার মতো অনেকের কাছেই যৌক্তিক মনে নাও হতে পারে! মুহম্মদ যখন ইসলামের দাওয়াত শুরু করেছিলেন
আরবের ক্ষমতাশীল মহল প্রস্তাব দিয়েছিলেন-

‘তোমাকে আরবের সমস্ত সুন্দরী মহিলা/ নারী দিয়ে দেয়া হবে তবু তুমি নতুন এই ধর্মের দাওয়াত বন্ধ করে দাও।’ যদি প্লেবয়ই হয়ে থাকবেন তাহলে সেই প্রস্তাব তিনি মেনে নেন নি কেনো?- এ বিষয়ে বোলতে গেলে বিশদ স্পেস না পেলে বোঝানো মুশকিল।তবে ততোটা বিশদের দিকে যাচ্ছি না- পাঠকের ধৈর্য থাকবে না,থাকবে না শ্রীমতি আপনারও।আর বোলতে গেলে আমার কাঁধে জোর করেই ধর্মান্ধ মৌলবাদী আর জঙ্গীবাদীর তকমা এঁটে দেয়া হবে যেহেতু এরকম অভ্যাস আপনাদের মজ্জাগত- উচিৎ কথা বলছি বোলে আপনার একটু চোট লাগতেই পারে,সেজন্য অবশই লজ্জিত।শ্রীমতি,আপনার অবগতির জন্য বিণীতভাবে জানিয়ে রাখতে চাই- আমার মিনিমাম ৫০টি কবিতায় আমি ধর্মান্ধতা মৌলবাদ আর জঙ্গীবাদের বিরুদ্ধে কঠোরভাবে
কলম চালিয়েছি।অতএব আমাকে তকমা এঁটে দিয়ে কোনো লাভ নেই।সংক্ষেপে এটুকু বলবো – মুহম্মদের যে-মেধা ছিলো, এই ডিজিটাল সময়ে তিনি থাকলে ডিজিটাল প্রযুক্তিটা থাকতো
তাঁর হাতেই।তিনি যেভাবে ডিজিটাল
চর্কি ঘোরাতেন আপনিও সেভাবেই ঘুরতেন এবং ডিজিটাল প্রযুক্তির মধ্য দিয়েই আপনি নিজে থেকেই স্বীকার করতেন- মুহম্মদ একজন মহাপুরুষ। আসলে আমার এসব কথারও যে প্রুফ নেই সেটাও আমি স্বীকার করছি।আমি চাই অথেনটিক কিছু। ধুম করে যা খুশি তা বলা আর তার পেছনে যুক্তি প্রদর্শন না করা- প্রমাণ করে- আপনি যুক্তি জানেন না কিংবা যে বিষয়টি বোলছেন, সেই বিষয়ে প্রমাণ পরিমাণ ঘটনা আপনার জানা নেই। আপনার কথা বাদ দিলাম। এরকম আপুর/ শ্রীমতীর এখন কোনো অভাব নেই যারা ডিজিটাল প্রযুক্তির গর্তে ঢুকে বসে থাকেন -যেখান থেকে বের হওয়া হয়তো আর সম্ভব নয়জ। মানব সভ্যতার ইতিহাসে বিশেষ করে মুহম্মদ-এর ইতিহাস বহুবার
সুবিধানুযায়ী বিকৃত করে
মুহম্মদকে অসম্মান করা হয়েছে এবং
এতটা অসম্মান পৃথিবীর ইতিহাসে অন্য কোনো মানুষকেই করা হয়নি। আপনি তবে এখন নিশ্চয়ই বোলতেই পারেন – সে মানে মুহম্মদ অসম্মান পাবার যোগ্য বোলেই অসম্মান করা হয়েছে এবং হচ্ছে!আপনার এই প্রশ্নের উত্তরে নয়,পরিপ্রেক্ষিতে বলবো-
পৃথিবীর সমস্ত ধর্ম গ্রন্থে তা সে মনুষ্য রচিতই হোক বা ঐশীগ্রন্থই হোক – মুহম্মদের আবির্ভাবের কথা লেখা আছে। কেনো আছে?
এই আবির্ভাবের কথা কি মুহম্মদ নিজে লিখেছিলেন? তা নিশ্চয়ই নয়।বড্ড বোরিং করছি আপনাকে, তাইনা?ঠিক আছে- কথা শেষ করে দিচ্ছি।একজন মানুষকে মুহম্মদ হতে হলে যে মেধা প্রজ্ঞা সাহস সততা ত্যাগ আর দূরদর্শিতার প্রমাণ দিতে হয়,পৃথিবীর অন্য কোনো একজনের মধ্যেও তেমন কোনো কোয়ালিটি পেয়েছেন কিনা
অন্তত একবার ভেবে নামটা বোলতে পারবেন কি?- এ প্রশ্নের উত্তর দিতে হলে আপনাকে আরো অনেক কাঠ কয়লা পোড়াতে হবে।দয়া করে
কাঠ- কয়লাগুলি আপনার মেক- আপ বক্সে ঢুকিয়ে রেখে লিপস্টিক হিসেবে ব্যবহার করে
ভুল করবেন না আশা করি কারণ এরকম বোকাচোদা ভুলে আপনার সুন্দর ঠোঁট দুটি মুহুর্তেই পুড়ে যাবে আর পুড়ে গেলে
কোনো প্লেবয়ই আপনাকে আর চুমু খাবে না। সুতরাং সাবধান।আর কৃষ্ণকে এড়িয়ে গেলাম যেহেতু কৃষ্ণ একটি পৌরাণিক চরিত্র।সে আর মুহম্মদ কখনোই একরকম বিষয় নয়- এইটুকু মেনে না নেবার গোঁড়ামিটুকু আপনি করবেন না- সে ভরসা আপনার প্রতি রয়ে গেলো যেহেতূ আপনি শ্রীমতি…. একবিংশ শতাব্দির একজন আধুনিকা, সমাজ ও যৌন সংস্কারক!










