ঐতিহাসিক ছিদ্রপথ সম্বন্ধে জ্ঞাতব্য : যুবক অনার্য 

হে অধিপতি
আমি ঋগ্বেদ যজুর্বেদ সামবেদ
 অথর্ববেদের বিভাজন সংহিতা
আরণ্যক ব্রাহ্মণ উপনিষদ সম্বন্ধে
 তোমাকে জ্ঞাত করিয়া
সাম্প্রতিক জৈববাদ
পাঠান্তে স্টেম সেল বিষয়ক
পূর্বালোচনা নৃতাত্তিক রসায়নে
অধিগমন করিতে চাহিয়াছিলাম।
ইতোমধ্যে তুমি অবগত হইয়াছো –
চাঁদ সওদাগর বেহুলা ও লখিন্দরের বাসরঘর নির্মাণ করিয়া  এই মর্মে
নিশ্চিত হইয়াছিলেন- সর্পগণ
উহাকে  বিদির্ণ করিয়া প্রবেশ
করিতে সক্ষম নহে ।
কিন্তু ছিদ্র একখানা অগোচরে
রহিয়া গিয়াছিলো। উক্ত চোরাপথ অতিক্রমান্তে জনৈক সর্প
লখিন্দরে দংশিতে কার্যত পারঙ্গম  হইয়াছিলো যথাবিহিত।
জ্ঞাতব্য যে, উক্ত ছিদ্রপথ যুগে যুগে  অধিপিতিগণ বিরাজমান রাখিয়াছে
 কিঞ্চিৎ  রিপুবর্তী হইয়া এবং
কহতব্য বটে কিঞ্চিৎ উহাদের
জ্ঞান- সীমাবদ্ধতাহেতু ।
হে অধিপতি
তোমাকে পেশপূর্বক এ সকল
জ্ঞানজ ও প্রাণজ বৃত্তান্ত,
বুঝিয়াছি -ইহা অপাত্রে
পাত্রীদানতুল্য অপরাধ বৈ
অন্য কিছু নহে
কেননা ছিদ্র তুমি একটি’র স্থলে
রচিয়াছো  একাধিক।
১৭২ কুঠুরির  সাজানো বাসর
ভেদ করিয়া দংশিতে হইলে
মনসার নিকট একখানি ছিদ্রই
যথেষ্ট যাহা সৃজিয়াছে
চিরায়ত বিরচন – উহাকে
কেবলি পৌরাণিক ভাবিলে,
তুমি হে অধিপতি- এ রসাতলে
ছুটিয়া আসিবে না বেহুলা,
                             পাইবে না জল।

You might like