তথাপি কিঞ্চিৎ চলিতকথন বিষাদপক্ষীয়

যুবক অনার্য :

এ মরণে ব্যবচ্ছেদ হইয়া ইহলগ্ন হইতে অপরলগ্নে – বিদিতে বিরাগবসনে যাই।

হে মানব, অনুস্বার  ও বিসর্গ সম্বন্ধে

জ্ঞাতব্য কেনো নও! হে নারী, তোমাকে বিবর্তিত ঈশ্বরী বানাইয়া আমি

প্রেমিক বনিতে চাহি

এক অধুনা পদ্ধতিতে যাহা আদিরূপ  অতলান্তিক অসমুদ্র-গহনচারী হইয়াছে কেননা উহা মনোরঞ্জনকৃত নহে- বিনোদনসদৃশ।

সেইহেতু  এদৃশ ও তাদৃশ শর্তে আমাদের ভগ্নপ্রদেশে কায়ক্লেশে কাহারা ফুটাইয়াছিলো আলপিন প্রজাতীয় ফুল

অত:পর উষালগ্নে নগ্ন ঋতু আসে

যাহার রাত্রি ছিলো পরঙ্মুখ সাদাকালো।

নীল আসমানী তারা ভাসিয়াছিলো কবে কাহাদের মরদেশে তথাপি এহেন শতাব্দী উত্থিত ঋগ্বেদ মতান্তরে রত্নাকর বাল্মিকী ছানিয়া কিঞ্চিৎ অদৈব নদীটির কথা তো ভাবো যাহা বস্তুত নদী নহে- কেবলি নদীমাতৃক বিলোড়ন  – কৃতার্থপ্রিয়

সংহত সুরের মুর্ছনায়।

তা থৈ তা তা থৈ থৈ বাজিল আর

বহুবিধ প্রেমিক আসিলো-

প্রেমপরম্পরা হইতে বিচ্ছিন্ন

কোনো লোকাচার বটে

এ সকল অস্বচ্ছ নাগর; ঘটিলো

মৌনতার কলরব –

মস্তিষ্ক নয়, মনোপ্রসূত

আমি লিখিতেছি এইমতো কূটাভাস

কেননা ইহা নারীসম্বন্ধীয় দিব্যভাসন

বেদান্তবেদনায়

সমূহ চিৎকারে কহিয়াছিলো-

‘বুঝি এই নারী জন্মই আমার

আজন্ম অপরাধ!’

You might like