

‘কীট’-শব্দের অর্থ পোকা। তিন খণ্ডে বিভক্ত দেহ (মস্তক বক্ষ ও উদর) আর্থ্রোপোডা (arthropoda) পর্বের অমেরুদ-ী প্রাণীর প্রজাতিবিশেষ; যার বক্ষে তিন জোড়া পা এবং এক বা দুই জোড়া পাখা ও মাথায় সংবেদী অঙ্গ (antenna) থাকে। কীট ও পতঙ্গ উভয়ই পোকা; শুধু পার্থক্য হলো কীট উড়তে পারে না আর পতঙ্গ উড়তে পারে।
মানুষের জন্য ক্ষতিকারক কীটপতঙ্গের পরিমাণ মাত্র এক শতাংশ। কীটপতঙ্গ হলো মানুষের জন্য বা মানুষের জন্য ক্ষতিকর যেকোনো জীব। এই শব্দটি বিশেষ করে এমন প্রাণীদের জন্য ব্যবহৃত হয় যারা ফসল, গবাদি পশু এবং বনজ সম্পদের ক্ষতি করে অথবা মানুষের জন্য, বিশেষ করে তাদের বাড়িতে, উপদ্রব সৃষ্টি করে। মানুষ তাদের নিজস্ব উদ্দেশ্যে পরিবেশ পরিবর্তন করেছে এবং অন্যান্য প্রাণীদের একই স্থানে দখল করার ক্ষেত্রে অসহিষ্ণু, যখন তাদের কার্যকলাপ মানুষের উদ্দেশ্যের উপর প্রতিকূল প্রভাব ফেলে। কিছু প্রাণী কামড়ায় বা হুল ফোটায় বলে তাদের অপছন্দ করা হয়; নেকড়ে, সাপ, বোলতা, পিঁপড়া, বিছানার পোকা, মাছি এবং টিক্স এই শ্রেণীর অন্তর্ভুক্ত। অন্যরা ঘরে প্রবেশ করে; এর মধ্যে রয়েছে ঘরের মাছি, যারা বসে খাবার দূষিত করে; বিটল, যারা কাঠের কাজে সুড়ঙ্গ করে; এবং অন্যান্য প্রাণী যারা রাতে মেঝেতে ঘুরে বেড়ায়, যেমন ইঁদুর এবং তেলাপোকা, যা প্রায়শই অস্বাস্থ্যকর অবস্থার সাথে সম্পর্কিত। কৃষি ও উদ্যান ফসল বিভিন্ন ধরণের কীটপতঙ্গ দ্বারা আক্রান্ত হয়, যার মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হল ইঁদুর, পোকামাকড়, মাইট, নেমাটোড এবং গ্যাস্ট্রোপড মোলাস্ক। তারা যে ক্ষতি করে তা উদ্ভিদের সরাসরি আঘাত এবং তাদের দ্বারা প্রেরিত ছত্রাক, ব্যাকটেরিয়া বা ভাইরাল সংক্রমণের পরোক্ষ পরিণতি উভয়ের কারণেই হয়। উদ্ভিদের এই আক্রমণের বিরুদ্ধে নিজস্ব প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা রয়েছে তবে এগুলি অতিমাত্রায় ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে, বিশেষ করে এমন আবাসস্থলে যেখানে উদ্ভিদ ইতিমধ্যেই চাপের মধ্যে রয়েছে, অথবা যেখানে কীটপতঙ্গ দুর্ঘটনাক্রমে প্রবেশ করেছে এবং তাদের কোনও প্রাকৃতিক শত্রু থাকতে পারে না। গাছগুলিকে প্রভাবিতকারী কীটপতঙ্গগুলি মূলত পোকামাকড়, এবং এর মধ্যে অনেকগুলি অসাবধানতাবশতও প্রবেশ করেছে এবং প্রাকৃতিক শত্রুর অভাব রয়েছে, এবং কিছু কিছু মারাত্মক ফলাফল সহ নতুন ছত্রাকজনিত রোগ ছড়ায়। ফসল উৎপাদনে ক্ষতিকর কীটপতঙ্গ এখনো বড় চ্যালেঞ্জ। ক্ষতিকর কীটপতঙ্গ ২০-৩০ শতাংশ ফসল নষ্ট করে। দ্বিতীয় বিবরণ ২৮:৩৯ পদে রয়েছে, “তুমি দ্রাক্ষাক্ষেত্র প্রস্তুত করিয়া তাহার পাইট করিবে, কিন্তু দ্রাক্ষারস পান করিতে কি দ্রাক্ষাফল চয়ন করিতে পাইবে না; কেননা কীটে তাহা খাইয়া ফেলিবে। কীটপতঙ্গ মানুষের উপকার করার চেয়ে ক্ষতিই করে বেশি। এই কারণে মানুষ কীট-পতঙ্গকে খুব একটা বেশি পছন্দ করে না।”

যাকোবকে ‘কীট’ বলা হয়েছে। সদাপ্রভু ইস্রায়েলকে বলেন যে, তাদেরকে দাঁতযুক্ত মাড়াই যন্ত্র হিসেবে স্থাপন করছেন, যা’ পাহাড়গুলোকে চূর্ণ-বিচূর্ণ করে তুষে পরিণত করবে (যিশাইয় ৪১:১৫-১৬)। যিশাইয় ৪১:১৪ পদে রয়েছে, “হে কীট যাকোব, হে ইস্রায়েলের নরগণ, ভয় করিও না; সদাপ্রভু কহেন, আমি তোমার সাহায্য করিব; আর ইস্রায়েলের পবিত্রতম তোমার মুক্তিদাতা।”
ফসলের কীটপতঙ্গ, ক্ষতি, নিয়ন্ত্রণ: পোকামাকড় প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে ফসল, মানুষ এবং গবাদি পশুর ক্ষতি করতে পারে। পবিত্র বাইবেলেও আমরা এমন বিষয় দেখতে পাই। আমোষ ৪:৯ পদে রয়েছে, “আমি শস্যের শোষ ও ্নানি রোগ দ্বারা তোমাদিগকে আঘাত করিলাম; শূক কীট তোমাদের বহুসংখ্য উদ্যান, তোমাদের দ্রাক্ষাক্ষেত্র, তোমাদের ডুমুরবৃক্ষ ও জলপাইবৃক্ষ খাইয়া ফেলিল; তথাপি তোমরা আমার কাছে ফিরিয়া আসিলে না, ইহা সদাপ্রভু বলেন।” আর ফসল ও ফলের যদি কীট ক্ষতি করে তাহলে আমাদের খাদ্যের অভাব দেখা দিবে। তাই আমাদের ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনা করা উচিত এবং তার প্রতি ফেরা উচিত।
হঠাৎ কোনো দেশে পোকার আক্রমণে ফসলের ক্ষতি হয়ে যেতে পারে, অথবা কোনো আত্মীয়স্বজন, প্রতিবেশীর জমিতে ফসল কীটপতঙ্গ দ্বারা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে; তখন সেই দেশ, আত্মীয়স্বজন বা প্রতিবেশীর খাদ্যের অভাব দেখা দিলে সামর্থ অনুযায়ী তাদেরকে সাহায্য করা দরকার। এমন একটি বিষয় পবিত্রশাস্ত্রে আমরা দেখতে পাই। যোয়েল ২:২৫ পদে রয়েছে, “আর পঙ্গপাল, পতঙ্গ, ঘুর্ঘুরিয়া ও শূক কীট- আমি যে নিজ মহাসৈন্য তোমাদের কাছে পাঠাইয়াছি, তাহারা- যে যে বৎসরের শস্যাদি খাইয়াছে, আমি তাহা পরিশোধ করিয়া তোমাদিগকে দিব।”
ফসলের সংরক্ষণের বিষয়েও আমাদের সতর্ক থাকতে হবে। যথাযথভাবে সংরক্ষণ না করলে ফসল নষ্ট হয়ে যেতে পারে। তাতে কীট জন্মাতে পারে, দুর্গন্ধ হতে পারে। খাওয়ার অনুপযোগীও হয়ে যেতে পারে। কিন্তু পবিত্রশাস্ত্রে আমরা দেখি মোশীর কথার অমান্য করে বা ঈশ্বরের অমান্য করে ফসলের মজুত করেছিলো। যাত্রাপুস্তক ১৬:২০ পদে রয়েছে, “তথাপি কেহ কেহ মোশির কথা না মানিয়া প্রাতঃকালের নিমিত্তে কিছু কিছু রাখিল, তখন তাহাতে কীট জন্মিল ও দুর্গন্ধ হইল; আর মোশি তাহাদের উপরে ক্রোধ করিলেন।”
কীট ফসল বা গাছের ধ্বংস করে। গাছ শুকিয়েও যেতে পারে। এতে কৃষকের অনেক ক্ষতি হতে পারে। যোনা ৪:৭ পদে রয়েছে, “কিন্তু পর দিন অরুণোদয়কালে ঈশ্বর এক কীট নিরূপণ করিলেন, সে ঐ এর- গাছটিকে দংশন করিলে তাহা শুষ্ক হইয়া পড়িল।” এখানে আমরা একটি গাছের শুকিয়ে যাওয়ার বিষয়ে দেখতে পাই; ফলে গাছ মরে যায়। আমাদের সমাজেও কীটের মতো লোক রয়েছে; যারা সমাজের ক্ষতি করে চলেছে। আর তারা সকলের কাছেই ঘৃণার পাত্র হয়। যিশাইয় ৬৬:২৪ পদে রয়েছে, “আর তাহারা বাহিরে গিয়া, যে লোকেরা আমার বিরুদ্ধে অধর্ম করিয়াছে, তাহাদের শব দেখিবে; কারণ তাহাদের কীট মরিবে না, ও তাহাদের অগ্নি নির্বাপিত হইবে না, এবং তাহারা সমস্ত মর্ত্যের ঘৃণাস্পদ হইবে।” জমিতে যেমন কীটের যাতনা ফসলের প্রতি, তেমনি মানুষধারী কীট দ্বারাও সমাজের সমূহ ক্ষতি হতেই থাকে। যোয়েল ১:৪ পদে রয়েছে, “শূক কীটে যাহা রাখিয়া গিয়াছে, তাহা পঙ্গপালে খাইয়াছে; পঙ্গপালে যাহা রাখিয়া গিয়াছে, তাহা পতঙ্গে খাইয়াছে; পতঙ্গে যাহা রাখিয়া গিয়াছে, তাহা ঘুর্ঘুরিয়াতে খাইয়াছে।” ফসলের ক্ষতিকার কীট অন্যের খাদ্যে পরিণত হয়; এবং তা’ চিরজীবনই চলন্ত। ১ পিতর ১:৩০ পদে রয়েছে, “আর যাবতীয় ভূচর পশু ও আকাশের যাবতীয় পক্ষী ও ভূমিতে গমনশীল যাবতীয় কীট, এই সকল প্রাণীর আহারার্থে হরিৎ ওষধি সকল দিলাম। তাহাতে সেইরূপ হইল।”
কোনো কোনো মানুষ আমাদের জীবনকে কীটের মতো কুঁড়ে কুঁড়ে খায়। কীটের মতো সমাজকে ধ্বংসের দিকে নিয়ে যায়। লোভী মানুষের মন অনেকটা নর্দমায় বেড়ে ওঠা কীটের মত, তাকে যতই ভাল জায়গায় রাখো না কেন সে তো ছট ফট করে মরে যাবেই। আর এজন্যে এসব মানুষকে কীটের সঙ্গে তুলনা করা হয়। হবক্ ১:১৪ পদে রয়েছে, “মনুষ্যদিগকে সমুদ্রের মৎস্য তুল্য কিম্বা অস্বামিক কীট তুল্য কেন কর?” এখানে একটি প্রশ্ন করা হয়েছে, কেনো মানুষকে কীটের সাথে তুলনা করা হয়। হোশেয় ৫:১২ পদে রয়েছে, “এই জন্য আমি ইফ্রয়িমের পক্ষে কীটস্বরূপ, যিহূদা-কুলের পক্ষে ক্ষয়স্বরূপ হইয়াছি।” কাজেই কীটে যে অনেক ক্ষতি করতে পারে, এবং তার দুষ্টতার উদাহরণ মানুষকেও পর্যন্ত দেয়া হয়। উদাহরণ হিসেবে বলা হয়েছে, যেন আমরা স্বর্গের জন্যে ধন সঞ্চয় করতে পারি, জগতের জন্যে ধন সঞ্চয় করলে তা কীটে ক্ষয় করে; কিন্তু স্বর্গের ধন কীটের নাগালে আসে না। লূক ১২:৩৩ পদে রয়েছে, “তোমাদের যাহা আছে, বিক্রয় করিয়া দান কর। আপনাদের জন্য এমন থলি প্রস্তুত কর, যাহা জীর্ণ হয় না; স্বর্গে অক্ষয় ধন সঞ্চয় কর, যেখানে চোর নিকটে আইসে না, কীটেও ক্ষয় করে না;” মথি ৬:১৯ ও ২০ পদে রয়েছে, “তোমরা পৃথিবীতে আপনাদের জন্য ধন সঞ্চয় করিও না; এখানে ত কীটে ও মরিচায় ক্ষয় করে, এবং এখানে চোরে সিঁধ কাটিয়া চুরি করে। কিন্তু স্বর্গে আপনাদের জন্য ধন সঞ্চয় কর; সেখানে কীটে ও মরিচায় ক্ষয় করে না, সেখানে চোরেও সিঁধ কাটিয়া চুরি করে না।” অতএব, আমাদের নিচেই রয়েছে, আমরা তাকাই না; আমাদের তাকিয়ে দেখা উচিত, যেন আমাদের শখের জিনিস সে নষ্ট করতে না পারে। যিশাইয় ১৪:১১ পদে রয়েছে, “পাতালে নামান হইল তোমার ঘটা, ও তোমার নেবল যন্ত্রের মধুর বাদ্য; কীট তোমার নিচে পাতা রহিয়াছে, কৃমি তোমাকে ঢাকিয়াছে।” ইয়োবের জীবনের অনুশোচনার কারণে তিনি নিজেকে কীটের সঙ্গে তুলনা করেছেন। তিনি বলেছেন, ইয়োব ১৩:২৮ পদে, “আমি ক্ষয়শীল গলিত বস্তুর ন্যায়, আমি কীটকুট্টিত বস্ত্রের সদৃশ।” ইয়োব ৭:৫ পদে রয়েছে, “কীট ও মাটির ঢেলা আমার মাংসের আচ্ছাদন; আমার চর্ম ফাটিয়াছে ও গলিত হইয়াছে।” ইয়োব ২৪:২০ পদে রয়েছে, “গর্ভ তাহাদিগকে ভুলিয়া যাইবে, তাহারা কীটের সুস্বাদু ভক্ষ্য হইবে, তাহারা কাহারও স্মরণে থাকিবে না; বৃক্ষের মত অন্যায় ভাঙ্গিয়া পড়িবে।” ইয়োব ২১:২৬ পদে রয়েছে, “ইহারা উভয়ে সমভাবে ধুলায় শয়ন করে, উভয়ে কীটে আচ্ছন্ন হয়।” দায়ূদও নিজেকে কীটের সঙ্গে নিজেকে তুলনা করে ঈশ্বরকে সম্মান, প্রশংসা ও গৌরব করেছেন। গীত ২২:৬ পদে রয়েছে, “কিন্তু আমি কীট, মানব নহি, মনুষ্যদের নিন্দাস্পদ, লোকদের অবজ্ঞাত।”
পবিত্রশাস্ত্রে কীটের বিষয়ে আরো উদাহরণ দেয়া আছে। সতর্ক করা হয়েছে, যেন মানুষ নিজের প্রাণকে ঘৃণাহ্ না করে। লেবীয় পুস্তক ২০:২৫ পদে বলা হয়েছে, “অতএব তোমরা শুচি অশুচি পশুর ও শুচি অশুচি পক্ষীর প্রভেদ করিবে; আমি যে যে পশু, পক্ষী ও ভূচর কীটাদি জন্তুকে অশুচি বলিয়া তোমাদের হইতে পৃথক করিলাম, সেই সকলের দ্বারা তোমরা আপনাদের প্রাণকে ঘৃণার্হ করিও না।” কীট নরকেও মরে না, কেননা কীটের উদাহরণ চিরদিনের। কাজেই কীটের দ্বারা আগুণ নিভানো যায় না। মার্ক ৯:৪৮ পদে রয়েছে, “নরকে ত লোকদের কীট মরে না, এবং অগ্নি নির্বাণ হয় না।” আর জগতের লোভীদের ধনসম্পত্তি পচে যায়। আরামের জীবনের, বিলাসী জীবনের পোশাক-আশাক কীটের খেয়ে ফেলে। যাকোব ৫:২ পদে রয়েছে, “তোমাদের ধন পচিয়া গিয়াছে, ও তোমাদের বস্ত্র সকল কীট-ভক্ষিত হইয়াছে; তোমাদের স্বর্ণ ও রৌপ্য কলঙ্কিত হইয়াছে;” কীটের আক্রমণে দেশে দেশে অভাব-অনটন ও রোগের প্রাদুর্ভাব ঘটে চলেছে যুগে যুগে। ২ বংশাবলি ৬:২৮ পদে রয়েছে, “দেশের মধ্যে যদি দুর্ভিক্ষ হয়, যদি মহামারী হয়, যদি শস্যের শোষ কি ম্লানি কি পঙ্গপাল কিম্বা কীট হয়, যদি তাহাদের শত্রুগণ তাহাদের দেশে নগরে নগরে তাহাদিগকে অবরোধ করে, যদি কোন মারীর বা রোগের প্রাদুর্ভাব হয়;”
সৃষ্টি শুরুতেই কীটের জন্ম। আদিপুস্তক ১:৩০ পদে রয়েছে, “আর যাবতীয় ভূচর পশু ও আকাশের যাবতীয় পক্ষী ও ভূমিতে গমনশীল যাবতীয় কীট, এই সকল প্রাণীর আহারার্থে হরিৎ ওষধি সকল দিলাম। তাহাতে সেইরূপ হইল।” কিন্তু কীট হলো অশুচি ও ঘৃণাহ্ ক্ষুদ্র প্রাণী। লেবীয় পুস্তক ২২:৫ পদে রয়েছে, “আর যে কেহ মৃত দেহ ঘটিত অশুচি বস্তু, কিম্বা যাহার রেতঃপাত হয় তাহাকে স্পর্শ করে, কিম্বা যে ব্যক্তি অশুচিতাজনক কীটাদি জন্তুকে কিম্বা কোন প্রকার অশুচিতাবিশিষ্ট মনুষ্যকে স্পর্শ করে,” লেবীয় পুস্তক ১১:৪১ পদে রয়েছে, “আর ভূচর প্রত্যেক কীট ঘৃণার্হ; তাহা অখাদ্য হইবে।” আর এসব মানুষের জন্যে অখাদ্য। লেবীয় পুস্তক ১১:৪২ ও ৪৩ পদে রয়েছে, “উরোগামী হউক কিম্বা চারি পদে কিম্বা ততোধিক পদে গমনকারী হউক, যে কোন ভূচর কীট হউক, তোমরা তাহা ভোজন করিও না, তাহা ঘৃণার্হ। কোন উরোগামী কীট দ্বারা তোমরা আপনাদের ঘৃণার্হ করিও না, ও সেই সকলের দ্বারা আপনাদিগকে অশুচি করিও না, পাছে তদ্দ্বারা অশুচি হও।”
প্রকাশ : মঙ্গলবার, ২৫ মার্চ ২০২৫ খ্রি.
স্ক্যাবিস বা চুলকানি থেকে রক্ষা পেতে কী করবেন?
ডায়াবেটিস প্রতিকার ও প্রতিরোধে শক্তিশালী ঔষধ
শ্বেতী রোগের কারণ, লক্ষ্মণ ও চিকিৎসা
যৌন রোগের কারণ ও প্রতিকার জেনে নিন
চর্মরোগ দাউদ একজিমা বিখাউজের কারণ ও প্রতিকার জেনে নিন
চর্মরোগ দাউদ একজিমা বিখাউজের কারণ ও প্রতিকার জেনে নিন











