

সজীব হাসান, (বগুড়া) প্রতিনিধি:
বগুড়া সদর উপজেলার একটি গ্রামে মানসিক ভারসাম্যহীন এক নারীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, নির্যাতনের শিকার ওই নারী বর্তমানে প্রায় তিন মাসের অন্তঃসত্ত্বা। এ ঘটনায় দুজনকে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছে এলাকাবাসী। অপর এক অভিযুক্ত পলাতক রয়েছেন।
অভিযুক্তরা হলেন সদর উপজেলার ফাঁপোড় ইউনিয়নের ফাঁপোড় পূর্বপাড়া গ্রামের মৃত লাল চান ফকিরের ছেলে মাহবুবুর রহমান (বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজের পিয়ন), একই এলাকার আজিজুল সোনারের ছেলে আলমগীর হোসেন এবং মৃত আকবর আলীর ছেলে শহিদুল ইসলাম। স্থানীয়

সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী নারীর স্বামী একটি মাদক মামলায় দীর্ঘদিন কারাগারে ছিলেন। এ সুযোগে অভিযুক্তরা তাকে একাধিকবার ধর্ষণ করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় ওই নারী অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েন বলে স্থানীয়দের দাবি।
সম্প্রতি ভুক্তভোগীর স্বামী জামিনে কারাগার থেকে বাড়ি ফেরেন। স্ত্রীর শারীরিক পরিবর্তন দেখে বিষয়টি জানতে চাইলে তিনি নির্যাতনের ঘটনা জানান। পরে বিষয়টি এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী অভিযুক্ত আলমগীর হোসেন ও শহিদুল ইসলামকে আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দেন।
তবে মাহবুবুর রহমান ঘটনার পর থেকে পলাতক রয়েছেন। বগুড়া সদর থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মাহফুজ আলম জানান, “অভিযুক্ত দুজনকে আটক করা হয়েছে। পলাতক অপর অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারে পুলিশ কাজ করছে। ভুক্তভোগী বা তার পরিবারের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।” এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
প্রকাশিত : বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ :

















