

ছোট্ট বন্ধুরা পাখির মতো আকাশে উড়তে আমাদের সকলের ইচ্ছে হয়, তাই তো বন্ধুরা কিন্তু তা কি সম্ভব, কারন আমাদেরতো পাখির মতো পাখা নেই, যে ইচ্ছেমতো উড়বো। তবে হ্যাঁ বন্ধুরা আমরা কিন্তু অবশ্যই আকাশে উড়ে যেতে পারি, সেটা কিভাবে নিশ্চয়ই তোমরা বুঝতে পারছো, সেটা হলো বিমানে তাও আবার একা নয় অনেকে মিলেই তবে আমরা বিমানের যাত্রী হয়ে এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় উড়ে যেতে পারি।
আজ আমি তোমাদের সেই দুর্ধর্ষ বিমানযাত্রীর বিমানে উড়ে যাওয়ার গল্প শোনাবো, গল্পটি শুনলে হয়তো তোমাদের ভয়ে গায়ের লোম খাড়া হয়ে যাবে বাপরে -বাপ কি দুর্ধর্ষ সাহসী সেই যাত্রী জানো বন্ধুরা? লোকটির সাহস আছে বলতে হবে, অতি সম্প্রতি দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে নেদারল্যান্ডের আমস্টারডাম বিমানবন্দরে অবতরণ করা একটি বিমানের চাকার নিচে লুকিয়ে বিমানে চড়া দুর্দান্ত এবং ভয়ঙ্কর সাহসী এক ব্যক্তিকে বিমান কর্তৃপক্ষ জীবিত উদ্ধার করেছেন।

কিন্তু বন্ধুরা এত উচ্চতায় ঠান্ডা ও অক্সিজেন স্বল্পতায় ওই ব্যক্তিটির বেঁচে থাকা অনেক কঠিন এবং বিরল ছিলো, তারপরও দুর্ধর্ষ সাহসী লোকটি বেঁচে ছিলেন, মালবাহী ওই বিমানটি ১১ ঘণ্টা যাত্রা বিরতির পর জোহনেসবার্গ থেকে আমস্টারডামে পৌঁছায় বিমানটি। সবচেয়ে মজার ব্যাপার হলো ওই লোকটি কোন দেশর তার জাতীয়তা বয়স এমনকি কোন বিমানবন্দর থেকে বিমানের চাকা নিচে লুকিয়ে ছিলো সে বিষয়ে তখনো পর্যন্ত জানতে পারেনি বিমান কর্তৃপক্ষ।
তবে লোকটিকে সেখানকার রয়েল ডাচ মিললিটারী পুলিশের জোওয়ানরা তাকে জীবিত উদ্ধার করে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন। ইন্টারনেট তথ্য অনুযায়ী কার্গো লাক্সের মালবাহী ওই বিমানটি ২৩ জানুয়ারি জোহানেসবার্গ থেকে শিফলে আসার পথে নাইরোবিতে যাত্রাবিরতি করেছিলো সেই কারণে কর্তৃপক্ষের ধারণা লোকটি দক্ষিণ আফ্রিকা অথবা কেনিয়া থেকে বিমানটিতে চড়ে ছিল বলে এমনটি ধারণা সকলের।










