

ও কন্যা কেশবতী
পায়ে আলতা হাতে বালা নাকেও নথ
উজান গাঙে জোছনা রাতের উদাস হাওয়া
দিন তো ছিলো জলটলোমল
চোখের কাজল
গাঁয়ের মেলা রথের দোলা
হাত বাড়ালেই কদমতলায় নকুলদানা
কেষ্টবাবু গুঁজে দিতো দু’টি টাকা
মুড়োলি আর সন্দেশে সেই বিকেলগুলি…
ও কন্যা কেশবতী
এখন চোখে ধু-ধু বালু
জল শুকিয়ে মাঠ হয়েছে
আর কতকাল কাঁদবে বলো
ভালোবাসার রাখাল বালক
এমনি হয় এমনি হয়
সবকিছু সে ছিনিয়ে নিয়ে

মনের ঘরে আগুন ঢেলে
শ্মশান ঘাটে চিতা জ্বেলে
ইচ্ছে করে হারিয়ে যায়
বুকের উপর পাথর রেখে
সুখের মতো মাড়িয়ে যায়
মাড়িয়ে যায়
শুক্রবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫
শেয়ার করুন
প্রিয় সময়













