মনোহরদীর দৌলতপুরে “ইসলামী সমাজ গঠনে ইমামদের দায়িত্ব ও কর্তব্য” শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

জে এম শাহজাহান মোল্লা ও মোঃ আঃ কুদ্দুস:

দৌলতপুর ইউনিয়নের সকল মসজিদের ইমাম ও খতিবদের নিয়ে “ইসলামী সমাজ গঠনে ইমামদের দায়িত্ব ও কর্তব্য” শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। দৌলতপুর ইউনিয়ন হেরার আলো ফাউন্ডেশনের আয়োজনে এ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

আলোচনা সভায় হেরার আলো ফাউন্ডেশনের সেক্রেটারি মাওলানা মো সানাউল্লাহ’র সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন হেরার আলো ফাউন্ডেশনের সভাপতি আলহাজ্জ মোঃ নাজিম উদ্দিন। প্রধান আলোচক ছিলেন বাংলাদেশ মাজলিসুল মুফাসসিরিন নরসিংদী জেলার সভাপতি আলহাজ্ব মাওলানা আব্দুল লতিফ খান।

বিশেষ আলোচক হিসেবে আলোচনা করেন দশদোনা ইসলামিয়া ফাজিল মাদরাসার অধ্যক্ষ হযরত মাওলানা শাহ মোহাম্মদ তৈয়ব, বিশিষ্ট ইসলামী চিন্তাবিদ মুফাসসিরে কোরআন হযরত মাওলানা মোতালিব হোসেন বরকতী।

প্রধান আলোচক মাওলানা আব্দুল লতিফ বলেন, ইমাম ও খত্বীবগণ স্বীয় প্রচেষ্টায় শান্তি ও সৌহার্দ্যপূর্ণ সমাজ গঠনে সচেষ্ট হবে। পারস্পরিক হিংসা-বিদ্বেষ ভুলে গিয়ে ভ্রাতৃত্বপূর্ণ সহাবস্থানের মর্যাদা মুছল্লীদের মাঝে তুলে ধরতে হবে। পরস্পরের বিপদে এগিয়ে আসার গুরুত্ব বিশ্লেষণ করতে হবে। এ মর্মে হাদীছে বর্ণিত হয়েছে, আবু হুরায়রা (রাঃ) বলেন, রাসূল (ছাঃ) বলেছেন, ‘এক মুসলমান অপর মুসলমানের ভাই। কাজেই সে তার উপর যুলুম করবে না, তাকে লজ্জিত করবে না এবং তাকে তুচ্ছ মনে করবে না। আল্লাহভীতি এখানে- একথা বলে তিনি তিনবার নিজের বুকের দিকে ইশারা করলেন। নবী করীম (ছাঃ) আরো বলেছেন, কোন ব্যক্তির মন্দ কাজ করার জন্য এতটুকুই যথেষ্ট যে, সে নিজের কোন মুসলিম ভাইকে তুচ্ছ মনে করে। একজন মুসলমানের জন্য অপর মুসলমানের জান, মাল ও মান-সম্মান বিনষ্ট করা হারাম’।

অন্যত্র তিনি বলেন, ‘এক মুসলমান অপর মুসলমানের ভাই, সে তার উপর যুলুম করবে না এবং তাকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দিবে না। যে ব্যক্তি তার মুসলিম ভাইয়ের প্রয়োজনে সাহায্য করবে, আল্লাহ তার প্রয়োজনে সাহায্য করবেন। যে ব্যক্তি কোন মুসলমানের একটি কষ্ট দূর করবে, ক্বিয়ামতের দিন আল্লাহ তার বিপদ সমূহ হ’তে একটি বিপদ দূর করে দিবেন। আর যে ব্যক্তি কোন মুসলমানের দোষ-ত্রুটি ঢেকে রাখবে, আল্লাহ তার দোষ-ত্রুটি ঢেকে রাখবেন’।

বিশেষ আলোচক অধ্যক্ষ মোঃ শাহ মোহাম্মাদ তৈয়াব বলেন, ইমাম হ’লেন সমাজের সর্বোচ্চ অনুসরণীয় ব্যক্তিত্ব। তবে ইমামগণকে সেই ব্যক্তিত্বের পর্যায়ে উন্নীত হ’তে হবে। সমাজে তার মর্যাদা ও গ্রহণযোগ্যতা অর্জন করতে হবে। আর সে গুণ হক্বের পূর্ণাঙ্গ অনুসরণের মাধ্যমে অর্জন করা সম্ভব। নিজের মধ্যে কোন দুর্বলতা থাকলে তার দ্বারা সমাজ সংস্কার হওয়া অত্যন্ত দুরূহ। তিনি স্বচ্ছ ব্যক্তি হলে তার কথা ও আচরণের প্রভাব সর্বসাধারণের মধ্যে বিস্তার করবে। তখন সমাজ সংস্কার করা সহজ হবে। মুসলিম সমাজ ইমামগণকে সম্মানের দৃষ্টিতে দেখে। বিধায় তাদের কথা ও কর্মকে মূল্যায়নের চেষ্টা করবে। সুতরাং তারা পবিত্র কুরআন ও সহীহ হাদীছের আলোকে সমাজ সংষ্কারের চেষ্টা করবেন।

অন্যদিকে, দিকনির্দেশনামূলক আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন মাওলানা মোঃ জুলফিকার আলী।

অনুষ্ঠানটি দৌলতপুর ইউনিয়ন হেরার আলো ফাউন্ডেশনের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় সুন্দরভাবে সম্পন্ন হয়। বক্তারা ইসলামী সমাজ বিনির্মাণে ইমাম ও আলেমদের গুরত্বপূর্ণ ভূমিকা তুলে ধরেন এবং দাওয়াত ও নেতৃত্বের মাধ্যমে সমাজে নৈতিকতা ও ঈমান জাগরণের আহ্বান জানান।

রোববার, ১৫ জুন ২০২৫

অনলাইনে সংবাদ জনপ্রিয় করবেন যেভাবে

ইউটিউব থেকে আয় করার উপায়

সোরিয়াসিস হলে কী করবেন?

স্ক্যাবিস বা চুলকানি থেকে রক্ষা পেতে কী করবেন?

ডায়াবেটিস প্রতিকার ও প্রতিরোধে শক্তিশালী ঔষধ

শ্বেতী রোগের কারণ, লক্ষ্মণ ও চিকিৎসা

যৌন রোগের কারণ ও প্রতিকার জেনে নিন

চর্মরোগ দাউদ একজিমা বিখাউজের কারণ ও প্রতিকার জেনে নিন

চর্মরোগ দাউদ একজিমা বিখাউজের কারণ ও প্রতিকার জেনে নিন

শেয়ার করুন

You might like

About the Author: priyoshomoy