

মোঃ আঃ কুদ্দুস :
বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্ক। বিষয়টি সম্পর্ক ধারণা হয়তো সকলেরই রয়েছে। অনেকে আবার প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতারও সাক্ষী। কেউ এই সব সম্পর্ক উপভোগ করেন। কারও আবার এই সম্পর্কের কারণেই জীবন তছনছ হয়ে যায়। আমাদের সমাজে আশে পাশে অসংখ ঘটনা প্রতিনিয়ত ঘটছে।

পবিত্র কুরআনে মহান আল্লাহ বলেন, “আর তোমরা ব্যভিচারের কাছে যেয়ো না, নিশ্চয় তা অশ্লীল কাজ ও মন্দ পথ।” (সুরা বনি ইসরাঈল, আয়াত : ৩২)।
বিবাহ বহির্ভূত শারীরিক সম্পর্ক সমাজের জন্য এক ভয়াবহ ব্যাধি, যা ব্যক্তিগত ও সামাজিক জীবনে ধ্বংসাত্মক প্রভাব ফেলে। ইসলামের দৃষ্টিতে এটি জঘন্যতম অপরাধগুলোর মধ্যে অন্যতম, যা মানুষের চরিত্র নষ্ট করে, পারিবারিক বন্ধন দুর্বল করে এবং দুনিয়া ও আখিরাতে কঠিন শাস্তির কারণ হয়।
একজন মানুষ কখন তার ঈমান হারায় যখন সে ব্যাভিচারে লিপ্ত হয়। আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, “ব্যভিচারী ব্যক্তি ব্যভিচারে লিপ্ত থাকাবস্থায় মুমিন থাকে না…” (মুসলিম, হাদিস : ১০৬)।
এই পাপে লিপ্ত ব্যক্তিরা আল্লাহর রহমত থেকে বঞ্চিত হয় এবং মৃত্যুর সময় কঠিন পরিণতির মুখে পড়ে। রাসুলুল্লাহ (সা.) স্পষ্টভাবে বলেছেন যে, এটি আল্লাহর সবচেয়ে অপছন্দনীয় কাজগুলোর একটি।
এই অনৈতিক সম্পর্ক প্রতিরোধে সামাজিক সচেতনতা গড়ে তোলা অত্যন্ত জরুরি। ধর্মীয় শিক্ষা, নৈতিক মূল্যবোধ ও পারিবারিক বন্ধন সুদৃঢ় করার মাধ্যমে এই প্রবণতা রোধ করা সম্ভব।
প্রিয় সময়/প্রবন্ধ
প্রকাশ : বুধবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৫ খ্রি.
স্ক্যাবিস বা চুলকানি থেকে রক্ষা পেতে কী করবেন?
ডায়াবেটিস প্রতিকার ও প্রতিরোধে শক্তিশালী ঔষধ
শ্বেতী রোগের কারণ, লক্ষ্মণ ও চিকিৎসা
যৌন রোগের কারণ ও প্রতিকার জেনে নিন
চর্মরোগ দাউদ একজিমা বিখাউজের কারণ ও প্রতিকার জেনে নিন
চর্মরোগ দাউদ একজিমা বিখাউজের কারণ ও প্রতিকার জেনে নিন











